
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার লাইসেন্স নবায়ন, এসএমইএকারখানার বাস্তবতা এবং শিল্পবান্ধব সমাধান নিয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডাইফে)এর মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ ফরহাদ সিদ্দিকএর সাথে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজিএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান এর নেতৃত্বে শ্রম ভবনে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম মহাপরিদর্শক মোঃ মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
সভায় বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক মোঃ ফরহাদ সিদ্দিককে শুভেচ্ছা জানান এবং শিল্পখাতের উন্নয়ন ও শ্রমবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে তার সফলতা কামনা করেন।
মতবিনিময়কালেসিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, বিজিএমইএ সবসময় কলকারখানা আইন ও নিরাপত্তা নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জঝঈ, ঘওজঅচঙঘ, ঘঅচ ও অন্যান্য পড়সঢ়ষরধহপব ভৎধসবড়িৎশএর সাথে সমন্বয় রেখে শিল্পকে টিকিয়ে রাখার মতো বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োজন। তিনি বলেন, লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ হলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে, কর্মসংস্থান কমে যাবে এবং রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই শিল্পকে সচল রেখে পড়সঢ়ষরধহপব রসঢ়ৎড়াবসবহঃ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন যে, বর্তমান সরকার দেশে বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই আলোকে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া তৈরি পোশাক কারখানাগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান। তিনি বলেন এ ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে বিজিএমইএ সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে বলে জানান।
বিজিএমইএ এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, উওঋঊ এর তত্ত্বাবধানে ঘঅচ গড়হরঃড়ৎরহমএর আওতাভুক্ত প্রায় ১৫০০ কারখানার মধ্যে বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে আনুমানিক ৩০০ কারখানা চালু রয়েছে। শতভাগ ঈড়ৎৎবপঃরাব অপঃরড়হ চষধহ (ঈঅচ) বাস্তবায়নের শর্তে লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে ঝগঊ কারখানাগুলোর অনেকগুলো ভাড়া ভিত্তিক বা পুরোনো অবকাঠামোতে পরিচালিত হওয়ায় সব পড়সঢ়ষরধহপব ঢ়ধৎধসবঃবৎ তাৎক্ষণিকভাবে পূরণ করা কঠিন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব কারখানা গত বছর লাইসেন্স নবায়ন পেয়েছে এবং ৎবসবফরধঃরড়হ ও পড়সঢ়ষরধহপব রসঢ়ৎড়াবসবহঃ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেসব কারখানাকে বাস্তবতা বিবেচনায় চলতি বছরে শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। একইসাথে তিনি জানান, বিজিএমইএইতোমধ্যে ঝগঊ কারখানাগুলোকে ধাপে ধাপে পড়সঢ়ষরধহপব-নধংবফ রহফঁংঃৎরধষ ুড়হব-এ ৎবষড়পধঃব করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ বলেন যে, সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধনের মাধ্যমে কারখানা লাইসেন্স নবায়নের মেয়াদ এক বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করা হলেও মাঠ পর্যায়ে এখনও এক বছরের বেশি নবায়ন করা হচ্ছে না।এ প্রসঙ্গে মহাপরিদর্শক মোঃ ফরহাদ সিদ্দিক জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ফি ও প্রক্রিয়াগত বিষয়সমূহ চূড়ান্ত হলে পাঁচ বছরের নবায়ন কার্যকর করা হবে। তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, যেসব কারখানার গত বছরে লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে, সেসব কারখানার ৎবহবধিষ বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যেখানে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করতে কাজ করছে, সেখানে বিদ্যমান শিল্প কারখানাগুলো সচল রাখতে উওঋঊ সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে। পাশাপাশি শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতেকলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শকদের আরও গাইডলাইনভিত্তিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।









