নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের উন্নয়নে খুশি জনগণ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের উন্নয়নে যে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন তার সুফল পেয়ে খুশি চট্টগ্রামের জনগণ।

রোববার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শনে গেলে নগরবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

এসময় উন্নয়ন কাজ নিয়ে জনগণের মতামত জানতে চাইলে আনন্দবাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ইসহাক সওদাগর ও স্থানীয় ধলেশ্বরী দাশ বলেন, ৫০ বছরের জীবনে এত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর কখনো দেখিনি। এলাকার প্রয়োজনীয় প্রায় সব রাস্তা করা হয়েছে। ভাঙা রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। আমরা সরকার ও চসিকের কার্যক্রমে খুশি।

এসময় এলাকার অনেকে জলাবদ্ধতা নিরসণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে মোট ৪টি প্রকল্প চলছে। এ প্রকল্পগুলো শেষ হলে নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় পুরো নগরীর রাস্তা এবং ড্রেনেজ সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

মেয়রকে মুনীরনগর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুল মান্নান মেয়রকে জানান, পুরো মুনীরনগরের জলাবদ্ধতা নিরসণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নকল্পে প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামকে সাথে নিয়ে পুরো ওয়ার্ডের ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন করে সব রাস্তার পাশে আরসিসি ঢালাই করা নালা ও স্ল্যাব গড়ে তোলা হচ্ছে। ফলে পুরো ওয়ার্ডের বন্যার পানি রেলওয়ে খাল থেকে নিয়ে মহেশখালে নিয়ে যাওয়া হবে। ফলে এ প্রকল্প শেষ হলে মুনীরনগরে আর কোন জলাবদ্ধতা থাকবেনা।

এরপর মেয়র হালিশহর, আনন্দবাজার, চৌচালা, আকবর থানাদার সড়ক পরিদর্শন করেন। এসময় মেয়র হালিশহর আনন্দবাজার আবর্জানাগারের পাশের আনন্দবাজার মহাশ্মশানের সংস্কারকাজ পরিদর্শনকালে স্থানীয়রা মধ্যম জেলেপাড়া মন্দির সংস্কারের দাবি জানালে মেয়র দ্রুত সংস্কারের নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামকে নির্দেশ দেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু, জিয়াউল হক সুমন, আবদুল মান্নান, মো. ইলিয়াস, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা, নতত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আকবর আলী, শাহীনুল ইসলামসহ এলাকাবাসী।

মন্তব্য করুন