নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে সমাবেশ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির অতকিত সন্ত্রাসী হামলা, দুর্লভ বুদ্ধ মুত্তির হাত ভেঙ্গে দেওয়া ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন, বুদ্ধ পন্ডিত, লেখক, গবেষক, বুদ্ধিজীবী, একুশে পদকপ্রাপ্ত,অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরোসহ আতœত্যাগী বৌদ্ধ ভিক্ষুদের উপর আক্রমণ ও আঘাত এবং মহান ভিক্ষু সংঘের নামে মিথ্যা মামলা দেয়ার প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভা বিহারের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক জ্ঞানরতœ মহাথের এর সভাপতিত্বে উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মহান ভিক্ষু সংঘসহ সম্মানিত সুধিজন অংশ নেন। উদ্ধোধক ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরো।

চট্টগ্রাম ভিক্ষু ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক করুণানন্দ থেরো সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম ভিক্ষু ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুমঙ্গল মহাথেরো, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার সাংঘিক আবাসিক প্রধান প্রিয়রতœ মহাথেরো, প্রজ্ঞাপাল মহাথেরো, জ্যোতিময় মহাথেরো, দীপঙ্কর মহাথেরো, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম ভিক্ষু ঐক্য পরিষদের পচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, বিশিষ্ট সংগঠক জে.বি.এস আনন্দবোধি থেরো, ড.দীপঙ্কর থেরো, লোকপ্রিয় মহাথেরো, শীলানন্দ মহাস্থবির, আর্যপ্রিয় মহাস্থবির, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক উত্তমানন্দ থেরো, অগ্রলংকার থেরো, দীপানন্দ থেরো, চট্টগ্রাম মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড.অর্থদর্শী বড়ুয়া, শিক্ষক বিশু বড়ুয়া,উপাসিকা মেরী বড়ুয়া, সুনন্দা বড়–য়া প্রমুখ।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, শতাব্দীকালের প্রাচীন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার (সাংঘিক) কে সাময়িক আশ্রিত অবৈধ বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির কতিপয় নেতৃবৃন্দ মহান ভিক্ষু সংঘের উপর আঘাত ও আক্রমণ করায় এবং মিথ্যা মামলা দায়ের করার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। তারা আরো বলেন, যারা এই মিথ্যা মামলা করেছে তাদের কে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের সুদৃস্টি কামনা করছি। অবৈধ সমিতির ভাড়া করা সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে গত ৮ মার্চ ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে। এবং ভিক্ষু ও দায়কদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং গত ১১ মে তারা আবারও বৌদ্ধ বিহারে অতর্কিত হামলা এবং দখলের অপচেষ্টা,বুদ্ধ মূর্তির হাত ভেঙে দেওয়া, ভিক্ষু সংঘকে আহত করেছে।

মন্তব্য করুন