নিউজ ডেস্ক

৫ লক্ষ ৪৫ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে চসিক

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: ১ জুন ২০২৪ইং জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন উপলক্ষে সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে আজ ৩০ মে (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টায় চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডা: ইমাম হোসেন রানা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, হাসান মুরাদ বিপ্লব, আবদুস সালাম, চসিকের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, ডা. টি চক্রবর্তী, সুমন তালুকদার, হাসান মুরাদ চৌধুরী, জুয়েল মহাজন, আকিল মাহমুদ নাফে, আবু সালেহ, হোসনে আরা, দিদারুল মুনির রুবেল, শাহনাজ আকতার, জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমেদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে ডা: ইমাম হোসেন রানা জানান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পুষ্টি সেবা (এনএনএস) জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান মহাখালী ঢাকা ১২১২ সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং অপুষ্টি জনিত শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে আগামী ১ জুন ২০২৪ইং (শনিবার) সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জাতীয় ভিটামিন’এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন” উদযাপিত হবে, উক্ত ক্যাম্পেইনে উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠী হলো ৬-১১ মাস ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশু। ৬-১১ মাস শিশুকে ১,০০০০০ লক্ষ আই ইউ নীল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ২,০০০০০ লক্ষ আই.ইউ লাল রঙের ০১টি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ০৭টি ইপিআই জোনের আওতায় নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে প্রায় ১৩২১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ভিটামিন’এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন” পরিচালিত হবে। পরবর্তীতে বাদ পড়া শিশুকে অভিভাবকগণ ইপিআই কেন্দ্রে এনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। জন্মের পরপর শিশুকে শালদুধ (১ ঘন্টার মধ্যে) খাওয়ানোসহ প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোর শুরু করুন। শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পরিমাণমতো সুষম খাবার খাওয়ান। ইহা ছাড়া বছরে ২ বার ৬-১১ মাস প্রতিটি শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই,ইউ) খাওয়াতে হবে। ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই,ইউ) খাওয়াতে হবে। মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গর্ভবর্তী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমানে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ প্রানিজ খাবার (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, কলিজা) ও উদ্ভিজ খাবার (হলুদ ফলমূল ও রঙিন শাক সবজি) খেতে দিন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উক্ত জাতীয় ক্যাম্পেইন ২০২৪ইং সফল ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার করার লক্ষ্যে ব্যপক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। যথাক্রমে কেন্দ্রীয় এ্যাডভোকেসী ও পরিকল্পনা সভা আয়োজন, জোন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এ্যাডভোকেসী ও পরিকল্পনা সভা আয়োজন, ওয়ার্ড পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষন, প্রতিটি ওয়ার্ডে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরন, ব্যপকভাবে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ, মেয়র মহোদয় কর্তৃক সম্মানিত কাউন্সিলর/সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, মসজিদের সম্মানিত খতিব ও ইমাম সাহেবদের নিকট চিঠি প্রেরণ। ইহা ছাড়া উক্ত ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন, স্থানীয় সকল পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদান এবং ৩০ মে জাতীয় ভিটামিন’এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন” এর উদ্বোধনী আয়োজন।

গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন’এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন” চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৬-১১ মাস লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৮১,০০০, অর্জন ৭৯,৮৯৫, অর্জিত হার ৯৯%। ১২-৫৯ মাসের লক্ষ্যমাত্রা ৪,৫৮,৮৩২, অর্জন ৪,৫৫,১৮২, অর্জিত হার ৯৯%।

আসন্ন ১ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাসের লক্ষ্যমাত্রা ৮৫,০০০ শিশু এবং ১২-৫৯ মাস লক্ষ্যমাত্রা ৪,৬০,০০০ শিশু।

নির্দেশনা সমূহ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইড লাইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর্মী স্বেচ্ছাসেবীগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্থায়ী/ অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবেন।

ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে সমূহে (ইপিআই কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র) স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুই হাত ভালভাবে জীবাণুমুক্ত করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবেন।

৬-১১ মাস প্রতিটি শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই, ইউ) খাওয়ানো হবে।

১২-৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই, ইউ) খাওয়ানো হবে।

জন্মের পরপর শিশুকে শালদুধ (১ ঘন্টার মধ্যে) খাওয়ানোসহ প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।

শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি পরিমাণমতো সুখম খাবার খাওয়ানো বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।

সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অবলোকন ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।

সঠিকভাবে আইপিসি সম্পন্ন করা এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক উদ্দিষ্ট শিশুর তালিকা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক মাইকিং করা হবে।

ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে যে সকল শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ যাবে তাদের পরবর্তীতে শুধুমাত্র চসিক স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চসিক স্বাস্থ্য বিভাগ পরিচালিত দাতব্য চিকিৎসালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইপিআই কেন্দ্র সমূহে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উক্ত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৩ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সকাল ৮.০০ ঘটিকা হতে বিকাল ৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ কর্মসূচী চলবে।

উক্ত ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪ইং সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল। সরকারী/বে-সরকারী সংস্থার কর্মকর্তাগণ, সকল জোনাল মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল অফিসার, ইপিআই টেকনিশিয়ান, সুপারভাইজার, স্বাস্থ্য সহকারী, টিকাদান ও স্বাস্থ্য কর্মী এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন। উক্ত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিক তথা বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, শিক্ষক, প্রকৌশলী, ইমাম ও অন্যান্য পেশাজীবিদের সর্বাত্মকভাবে অংশগ্রহণ অবশ্যই কাম্য। আপনাদের সকলের সর্বাত্মক সহযোগীতা ছাড়া সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে এ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (১ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৪ উদ্যাগন উপলক্ষ্যে) গৃহীত বিশেষ কার্যক্রম সমূহঃ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সুন্দর ও সুষ্টভাবে পরিচালনার জন্য কার্যক্রমগুলো হাতে নেয়া হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের এনজিও কর্মকর্তা, সরকারী ও আধা সরকারী কর্মকর্তা, চিকিৎসক,

সাংবাদিক, শিক্ষক ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে এ্যাডভোকেসি সভা, ওয়ার্ড পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি সভা ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশন এলাকায়জন জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য মেয়র এর পক্ষ হতে “বিশেষ বিজ্ঞপ্তি” সহকারে জাতীয়/ স্থানীয় পত্রিকায় প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ক্যাম্পেইনে জনসাধারণের পূর্ণ সহযোগীতার আহবান জানিয়ে সকল মসজিদে সম্মানিত ইমাম/ খতিব সাহেবের মাধ্যমে নামাজের আগে এবং পরে মুসল্লিগণকে অবহিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতি ওয়ার্ডে এক দিন ব্যাপী মাইকিং করা হবে।

একজন সচেতন সাংবাদিক হিসেবে আপনার কাছে জাতি প্রত্যাশা করেঃ

স্বাস্থ্য বিধি মেনে শিশুদেরকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে ইতিবাচক এবং তথ্য নির্ভর প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সর্ম্পকে জনগণের আগ্রহ সৃষ্টি এবং অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।

ভিটামিন ‘এ’ এর গুরুত্ব সম্পর্কে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে অভিভাবকদের সচেতন করা।

প্রতিটি শিশুর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ার অধিকার আছে। নিজ সন্তান ছাড়াও বাড়িতে বসবাসকারী উদ্দিষ্ট সকল শিশু যাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পায় এই ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করা।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে জনগণ যেন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উপর আস্থা না হারায় সে ব্যাপারে আপনার দৃঢ় ভূমিকা রাখা।

যে কোন সুচিন্তিত মতামত, পরামর্শ ও কোন বিষয়ে জানার থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করা।

আপনাদের সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অতীতে যে সুনাম অর্জন হয়েছে আসন্ন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করে এই ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করছি।

যদিও বা সরকারীভাবে ১ দিন ক্যাম্পেইন পালিত হবে। তবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কোন শিশু যেন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন হতে বাদ না পড়ে সে লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে টিকাদান কেন্দ্র হতে ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই সদর দপ্তর, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম, সিভিল সার্জন অফিস চট্টগ্রাম, ইউনিসেফ সহ সকল সরকারী/ বে-সরকারী সংস্থা কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আসুন একজন সচেতন অভিবাবক হিসেবে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ ইউনিট) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ ইউনিট) খাওয়ানোর মাধ্যমে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ এবং শিশুদের অপুষ্টি ও মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করি।

পরিশেষে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৪ সফলভাবে বাস্তবায়ন হউক এই কামনা করছি।

আয়োজনে: স্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। সহযোগিতায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা-১২১২, ইউনিসেফ।

 

মন্তব্য করুন