নিউজ ডেস্ক

হযরত মুহাম্মদ (সা.) হলেন মহান চরিত্রের অধিকারী ও আদর্শের জীবন্ত প্রতীক: আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুবনগরী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) হলেন মহান চরিত্রের অধিকারী ও আদর্শের জীবন্ত প্রতীক। জন্মের পর হতেই তার মাঝে বিরাজ করেছিলো সর্বোত্তম চরিত্র মাধুরী, সর্বোত্তম আদর্শ, মহৎ মানুষ ও সর্বোত্তম প্রতিবেশি ইত্যকার মহত্তম, গুণাবলী। বাল্যকাল থেকেই তার স্বভাব ছিল কলুষতা, কাঠিন্য, কর্কশতা ও অহংকার থেকে মুক্ত। তিনি ছিলেন, দয়াশীল, শ্রদ্ধাশীল, সহানুভূতিশীল ও ঔদার্যশীল এবং নিষ্কুলুস ও নির্ভেজাল মহামানব। শৈশব থেকে মহানবী (সা.) সত্যবাদী ও ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন। তাই আরবের সকলে মিলে তাঁকে আখ্যা দিয়েছিল আল আমীন। মহান আল্লাহতায়ালা কুরআনে মাজীদে বলেন, হে নবী আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী রূপে প্রেরণ করেছি। এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে আহবায়ক রূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে প্রেরণ করেছি।

তিনি গত ১৮ ও ১৯ জুন জিরি সুবেদার ঈদগাহ ময়দানে মহানবী (সা:) এর পবিত্র জীবন আলোচনা উপলক্ষে দুইদিন ব্যাপি ১৯তম সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, হিম্মত, দৃঢ়তা, সাহস, ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, নির্ভরতা, ভাগ্যের ওপর সন্তুষ্টি, বিপদ সহ্য করা, ত্যাগ, অল্পে তুষ্টি, স্বাবলম্বিতা, কুরবানী, দানশীলতা, নম্রতা, উন্নতি ও অনুন্নতি, এবং ছোট ও বড় সব রকমের নৈতিক বৃত্তি, সবগুলো একসাথে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট পাওয়া যেত। সকল বিষয়ে সঠিক মনোভাব ও পুর্ণাঙ্গ নৈতিকতার সমাবেশ দেখা যায় একমাত্র মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনে।

পটিয়া জিরি সুবেদার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা হাফেজ আনোয়ার হোসাইন রব্বানীর সভাপতিত্বে, মাওলানা দ্বীন মোহাম্মদ ও সেক্রেটারী এস এম ওসমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ওয়ায়েজীনে কেরাম হাটহাজারী মাদরাসার আল্লামা মুফতি খলিল আহমদ কাসেমী, বড় হুজুর আল্লামা হাফেজ তাজুল ইসলাম, পটিয়া মাদরাসার আল্লামা মুফতি হাফেজ আহমদুল্লাহ, ঢাকার মাওলানা ক্বারী সাঈদুল ইসলাম আসাদ, ফেনির মাওলানা আবদুর রহমান জামি, ঢাকার মাওলানা জায়েদ হাসান, জিরি মাদরাসার ড: আ. ফ. ম খালিদ হোসেন, জিরির মাওলানা ক্বারী নুরুল্লাহ, ঢাকার মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী, চট্টগ্রামের মাওলানা মুফতি হারুন ইজহার, কক্সবাজারের আল্লামা আবদুল হক হক্কানী, জিরি মাওলানা মুফতি মোরশেদুল হক, রাঙ্গুনিয়ার মাওলানা জমির উদ্দিন, মাওলানা মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা ক্বারী রফিক।

উপস্থিত ছিলেন ক্রসিং মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ ইউনুচ, ওলামা-মাশায়েখ, স্থানীয় ইমাম-খতিব, মাহতামিম, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ।

মন্তব্য করুন