চট্টগ্রামের কর্ণেল হাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণেলহাট ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ‘নাগরিক সেবা প্রাপ্তি সহজীকরণ, সুবিধাদি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে উদ্ধূত সমস্যাদি শ্রবণ ও নিষ্পত্তি এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন’ বিষয়ে গণশুনানি ও মা সমাবেশ পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বেগম সাহান ওয়াজের সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক (সাধারণ) লিকসন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবু সালেহ মোঃ ফোরকান উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডাঃ শামীমা হাসনাত।
কর্ণেলহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে সেবাগ্রহীতা অর্ধশতাধিক গর্ভবতী মা গণশুনানি ও মা সমাবেশে অংশ নেন।
উপস্থিত সেবাগ্রহীতা সকল মায়েরা বিনামূল্যে সেবা পেয়ে খুবই সন্তুষ্টু বলে জানান। তারা এই কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডাঃ হ্যাপী কর্মকার ও ডাঃ ফাতেমার প্রশংসা করে সেখানে কর্মরত সকল পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা, নাসিং এটেনডেন্টসহ সকলের আচরণ খুবই আন্তরিক বলে জানান। এ কেন্দ্রে নরমাল ডেলিভারীসহ বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করতে অন্যদের উৎসাহিত করার ব্যাপারে মতামত ব্যক্ত করেন মা সমাবেশে উপস্থিত সেবাগ্রহীতাগণ।
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে নরমাল ডেলিভারী সেবার পাশাপাশি সিজারিয়ান ডেলিভারী চালু করার জন্য অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবু সালেহ মোঃ ফোরকান উদ্দিনকে অনুরোধ জানানোর পর তিনি অতি শীঘ্রই এ সেবা চালু করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শেষে উপস্থিত সেবাগ্রহীতাদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি সামগ্রী ও ঔষধপত্র বিতরণ করা হয়।
এদিকে ঈদুল আজহার সরকারী ছুটিতেও চট্টগ্রাম জেলাসহ সারাদেশে পরিবার পরিকল্পনা সেবাকেন্দ্রসমুহ খোলা ছিল। এ সময়ে পরিবার পরিকল্পনা সেবাকেন্দ্রসমুহে বিনামূল্যে নরমাল ডেলিভারী, সাধারণ রোগের চিকিৎসাসহ পরিবার পরিকল্পনা সেবা দেয়া হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বেগম সাহান ওয়াজ জানান, কৈশোর-বান্ধব স্বাস্থসেবা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ রোধ, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদেরকে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ফলে শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। পবিত্র ঈদ-উল আযহার সরকারী বন্ধেও পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা চালু ছিল।

মন্তব্য করুন