
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: আপ বাংলাদেশ আয়োজিত চট্টগ্রামে এক আলোচনা সভাগ বক্তারা জোরালোভাবে দাবি তুলেছেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিতে পরিণত হয়েছে। সময়মতো এই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না হলে, জুলাই বিপ্লবের নায়কেরা ইতিহাসে খলনায়ক হিসেবে বিবেচিত হবেন, যা জাতির জন্য হবে একটি নতুন কলঙ্ক। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, ৭১ পরবর্তী সময়ের মতো আবারও নিরপরাধ মানুষ বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হতে পারে।
১৯ জুন বিকেলে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমির গ্যালারিতে ‘ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)’ আয়োজিত “জুলাই ঘোষণাপত্র: বন্দরনগরীর ভাবনা” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ সব কথা উঠে আসে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য ফায়াজ শাহেদ। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ইব্রাহিম হোসেন, যিনি বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ঘোষণাপত্রের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আপ বাংলাদেশের সদস্য সচিব আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ, যিনি সংগঠনের ভূমিকা ও চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এডভোকেট ড. মঈন উদ্দিন আহমদ, মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী, বিএনপির অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, আমরা চাটগাঁবাসীর সেক্রেটারী জেনারেল ও সাংবাদিক নেতা এবিএম ইমরানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, জুলাই মাসের মধ্যেই একটি সময়োপযোগী ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই ঘোষণাপত্র তরুণ প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় চট্টগ্রামের উন্নয়ন, নাগরিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বক্তারা সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একত্র হয়ে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানান।









