নিউজগার্ডেন ডেস্ক: বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, সম্প্রতি দেশের পাঁচটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা তাঁদের জমানো বিপুল অঙ্কের অর্থ থাকা সত্ত্বেও এটিএম কার্ড বা চেকের মাধ্যমে মাত্র কয়েক হাজার টাকার বেশি উত্তোলন করতে পারছেন না।
এর ফলে দীর্ঘদিনের জমানো টাকা হাতে না পেয়ে বহু পরিবার চরম হতাশা ও পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ ধরনের ঘটনা পেশাজীবি সমাজ সহ সমগ্র দেশবাসীকে গভীরভাবে ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন করেছে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্যাংকে রক্ষিত গ্রাহকের অর্থ যারা আত্মসাৎ করেছে, তাদের অবৈধভাবে অর্জিত সকল সম্পদ অবিলম্বে জব্দ ও বিক্রির মাধ্যমে দ্রুত গ্রাহকদের আমানত ফেরত দিতে হবে। এ লক্ষ্যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, এই সংকট নিরসনে প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো অবিলম্বে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রাহকদের জমানো সকল অর্থ ফেরত দেওয়া সহ সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। অন্যথায় সংগঠনটি কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে।