দলমত নির্বিশেষে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী। তিনি বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের জন্য ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়াই ইসলামের শিক্ষা এবং মানবিক রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
১০ জানুয়ারি সকালে চট্টগ্রামের শুলকবহর ওয়ার্ডে সনাতনী সমাজের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমীর মাহবুবুল হাছান রুমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যক্ষ হেলালী তার বক্তব্যে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, এই দেশ সকল ধর্মের মানুষের। এখানে কাউকে ছোট বা বড় করে দেখার সুযোগ নেই। রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়, ইনসাফ ও সমতা প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য। অতীতে আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে যে দায়িত্ব পালন করেছি, সেখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ সমানভাবে সেবা পেয়েছে। ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে ইনশাআল্লাহ।”
মতবিনিময় সভায় সনাতনী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন গৌরাঙ্গবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোকুল দে ও সেক্রেটারি দোলন দে, লোকনাথ মন্দিরের সভাপতি চন্দন দেবনাথ ও সেক্রেটারি অপু চক্রবর্তী, আদর্শ পাড়া পূজা কমিটির সভাপতি দেবরাজ দাশ গুপ্ত ও সেক্রেটারি সেন্টু কুমার দাশ, জাগরণ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিশু দাশ ও সেক্রেটারি সেতুশীল, প্রবর্তক সংঘের সভাপতি স্বদেশ শর্মা ও সেক্রেটারি রতন ভট্টাচার্য্য।
তারা বলেন, অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী একজন প্রকৃত অসাম্প্রদায়িক ও ধার্মিক মানুষ। তিনি ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সকল সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কাউন্সিলর থাকাকালীন সময়ে সনাতনী সম্প্রদায়সহ সকল ধর্মের মানুষ তার কাছ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও স্বাধীনতা পেয়েছে। তাই এমন একজন আদর্শবান, নৈতিক ও মানবিক নেতার নেতৃত্বেই সমাজ ও এলাকার উন্নয়ন সম্ভব বলে তারা মত প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও তার পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সভায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শফিউল আজিম মন্টি, ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল হোসাইন, শহীদুল্লাহ তালুকদার, নুরুল ইসলাম, ফজলে এলাহী ও নুরুল কুদ্দুস তরুসহ অন্যান্যরা।