
সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম -১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সাবেক এমপি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন নদভীর আস্থাভাজন ও দুর্ধর্ষ ক্যাডার হিলমিলি গ্রামের মোজাফফর আহামদ এর ছেলে কামরুজ্জমান। হঠাৎ নিজ বাসায় জামায়াতের অন্যতম নেতা চট্টগ্রাম -১৫ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে দাওয়াত দিয়ে খানাপিনার ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠে।
সমালোচকরা বলেন, আওয়ামী শাসনামলে যেভাবে শিবির-ছাত্রদল আওয়ামীলীগের সাথে থেকে জুলাই আন্দোলন সফল করে দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছে। একই কৌশলে আওয়ামী দোসররা বোল পাল্টিয়ে এখন বিভিন্ন এলাকায় জামাত-বিএনপির লুঙ্গির নীচে আশ্রয় নিচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাতকানিয়ার আমিলাইশের সচেতন নাগরিকরা জানান, আওয়ামী সরকারের ১৬ বছর এই কামরুজ্জামান এমপি নদভী’র খুবই আস্থাভাজন হিসেবে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় এমপি নদভী’র সমস্ত কর্মকান্ডে জড়িত থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটিপতি বনেছে। নগরীর আসাদগঞ্জে গড়ে তুলেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
৫ আগস্টের পর এমপি নদভী গ্রেফতার হলে কিছুদিন গা ঢাকা দিলেও হঠাৎ শাহজাহান চৌধুরীকে দাওয়াত খাওনোর ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টায় আছে। এখন তাকে আর ঠেকায় কে? তবে শঙ্খা থাকে যে কখন আওয়ামী ফ্যাসিস্টের ছোবল খেতে হয় জামায়াত- বিএনপিকে।
সুত্র জানায়,২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত আওয়ামী সরকারের দোসর চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি নদভীর ক্যাডার পরিচয়ে টিআর, কাবিখা সহ নানা সরকারী বরাদ্দের অর্থ লুটপাট করছে এই কামরুজ্জামান।
এখন আওয়ামী দোসর জামাত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর সাথে সখ্যতা কোন মতেই মেনে নিতে পারছে না নির্যাতিত জামায়াত কর্মীরা। দীর্ঘ ১৫ বছর আওয়ামী শাসনামলে স্থানীয় জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা মামলা-হামলার শিকার হয়ে জেল-জুলুম ও এলাকা ছাড়া ছিলেন। এখন তারা আবারও সেই ফ্যাসিবাদের কবলে পড়বে এমন আশঙ্কা করছেন অনেকে।
জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীকে কামরুজ্জামানের মতো আওয়ামী ফ্যাসিস্টকে প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানান, দীর্ঘ ১৫ বছর নির্যাতিত জামায়াত- শিবিরের স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।
এই বিষয়ে জানতে কামরুজ্জামানের মুঠোফোনে বারবার কল করেও সংযোগ না পাওয়াতে তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।









