নিউজগার্ডেন ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চট্টগ্রামের তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। সময়মতো বেতন ও ঈদ বোনাস পাওয়ায় অনেকেই হাসিমুখে নিজ নিজ বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন।
বিজিএমইএ চট্টগ্রাম অঞ্চল জানিয়েছে, চট্টগ্রামে তাদের সদস্যভুক্ত শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চট্টগ্রামের পোশাকশ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন,
“আলহামদুলিল্লাহ, চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র তালিকাভুক্ত ৩৪২টি কারখানার সবগুলোতেই ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। কিছু কারখানা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অর্ডার কমে যাওয়া ও ঋণের চাপের মধ্যেও শ্রমিক ভাই-বোনদের পাওনা পরিশোধ করেছে, যা অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক।”
তিনি আরও বলেন,
“বর্তমান শিল্পবান্ধব ও শ্রমবান্ধব সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা এবং দ্রুত ২,৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড়ের সিদ্ধান্ত উদ্যোক্তাদের তারল্য সংকট লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে বেতন-বোনাস পরিশোধ এবং শিল্পের কার্যক্রম সচল রাখা অনেকটাই সহজ হয়েছে।”
বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী বলেন,
“বিজিএমইএ সদস্যরা সবসময় শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি দায়বদ্ধ। ঈদের আগের শেষ কর্মদিবসেই চট্টগ্রামে বিজিএমইএ’র তালিকাভুক্ত সকল কারখানায় শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে কোথাও শ্রমিক অসন্তোষের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ঈদের আগে পাওনা বুঝে পেয়ে শ্রমিকরা হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, বেতন-বোনাস পরিশোধ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নিয়মিত সহযোগিতা দিয়েছে। এ জন্য বিজিএমইএ পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানো হয়।