
নিউজগর্ডেন ডেস্ক: ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ও চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী মাঠের সমাপনী সমাবেশ সফল, সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম মহানগরীসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ও লালদিঘীর সমাপনী সমাবেশকে সফল করতে চট্টগ্রামবাসী যে স্বতঃস্ফূর্ততা, আন্তরিকতা, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এ কর্মসূচিকে সফল ও অর্থবহ করেছে। এজন্য চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণের প্রতি আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।”
তিনি বলেন, কর্মসূচি সফল করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, বিদ্যুৎ বিভাগ, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সেবাদানকারী সংস্থাগুলো যে সহযোগিতা করেছে, তার জন্য চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় বৃহৎ এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
নগর আমীর আরও বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব, নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্বেচ্ছাসেবক এবং সর্বস্তরের সহযোগীরা লংমার্চ ও সমাপনী সমাবেশ সফল করতে যে আন্তরিক সহযোগিতা ও পরিশ্রম করেছেন, তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সহযোগিতার যে দৃষ্টান্ত চট্টগ্রামবাসী স্থাপন করেছেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি বলেন, লংমার্চে অংশগ্রহণের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চট্টগ্রামে আগত জনসাধারণের প্রতি এবং কর্মসূচির সার্বিক সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
নজরুল ইসলাম বলেন, “লংমার্চ ও সমাপনী সমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, দোকানদার, পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যে সহনশীলতা ও সহযোগিতার পরিচয় দিয়েছেন, আমরা তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ। সাময়িক ভোগান্তি ও ব্যস্ততার মধ্যেও তারা যে সহযোগিতা করেছেন, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”
তিনি আরও বলেন, বৃহৎ এই কর্মসূচি সফল করার পেছনে যারা প্রকাশ্যে কিংবা নেপথ্যে সহযোগিতা করেছেন, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। একইসঙ্গে কর্মসূচি সফল করতে দিন-রাত পরিশ্রম করা জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতিও তিনি অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, “এই সফলতা কোনো একক ব্যক্তি, দল বা প্রতিষ্ঠানের নয়; বরং এটি সম্মিলিত সহযোগিতা, দায়িত্বশীলতা ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফল। ভবিষ্যতেও দেশের মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণের যেকোনো শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে জনগণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
সবশেষে তিনি ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ও লালদিঘী সমাপনী সমাবেশ সফল করার জন্য চট্টগ্রামবাসীসহ দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করেন।









