
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা শাখার উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) পরিচালিত পোস্তারপাড় বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে ‘ডেঙ্গু রোগ প্রতিকার নয়, প্রতিরোধে উত্তম উপায়’ বিষয়ক এক স্বাস্থ্য শিক্ষা সেশন আজ ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধূ ভূষণ পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান। বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা থোয়াইনু মং মার্মা, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কামাল উদ্দিন ও প্রাক্তন শিক্ষক বিশ্বজিৎ সরকার। অনুষ্ঠানের শুরুতে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে টিভিসি প্রদর্শন ও মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। পরে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এসময় শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতংকিত হওয়ার কিছুই নেই। এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করার মাধ্যমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তারের স্থানগুলো নষ্ট করে দিতে হবে। ঘরের আশে পাশে যাতে জমানো পানি না থাকে সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে হবে। আমরা সকলে সচেতন হলে ডেঙ্গু সমুলে নির্মূল করতে পারবো। আমরা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন সুস্থ বাংলাদেশ চাই। এ জন্য ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, এয়ার কন্ডিশনার, ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, ড্রাম, পরিত্যক্ত টায়ার, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, ফুলের টব, নারিকেলের মালা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারী শেল ও পরিস্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পারে। তাই এগুলোতে পানি জমে থাকলে ফেলে দিতে হবে। ঘর ও আশপাশের যে কোন পাত্রে বা জায়গায় জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিস্কার করলে এডিস মশার লার্ভা মরে যায়। জীবন বাঁচানোর জন্য যেকোন উপায়ে এডিস মশা ধ্বংস করতে হবে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশারি ব্যবহারের মাধ্যমে ডেঙ্গু সংক্রমণ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই।









