
চট্টগ্রাম হাটহাজারী কে সি শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির কথিত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড সদস্য নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার, কাদিয়ানী ও আহলে হাদিস জঙ্গি সংগঠক” ভন্ড দরবেশ বাবা লালসালু ” নামে খ্যাত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট, লম্পট গোলাম কিবরিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানান অপকর্ম, অনিয়ম, দুর্নীতি, কলেজ শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি আধাচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।এতে অত্র কলেজে শিক্ষক কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। অন্যদিকে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশে বিঘ্নতা সহ শিক্ষার্থীদের উপর চরম নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের বরাবরে অত্র কলেজ শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক আবেদন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।
অভিযোগে জানা যায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নিয়ম বহির্ভূত নিয়োগপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দুর্নীতিবাজ মোঃআব্দুল কুদ্দুস মিয়ার কারসাজিতে,শিক্ষক পরিষদকে না জানিয়ে চুপিসারে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে,এলাকার চিহ্নিত “আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ” “ভন্ড দরবেশ বাবা লালসালু নামে খ্যাত “কথিত মোঃ গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী কে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড প্রতিনিধি করিয়ে নেন। কলেজ শিক্ষক পরিষদের কোন মতামত নেওয়া হয়নি।অথচ অতীতে এ কথিত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, বিবাহিত স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে বিবাহকরন, ছাত্র জীবনে শিক্ষকদের কৌশলে জিম্মি করে ফলাফল আদায় সহ নানান অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।এমন একজন দুশ্চরিত্র ব্যক্তিকে শহীদ জিয়াউর রহমানের নামে কলেজে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড প্রতিনিধি নিয়োগে এলাকাবাসী, কলেজ শিক্ষক পরিষদ, কর্মকর্তা কর্মচারী, ছাত্রছাত্রীরা বিব্রত।জানা যায়, নিষিদ্ধ সংগঠক ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট,কাদিয়ানী, আহলে হাদিসের জঙ্গির তালিমী সংগঠক, এলাকায় “ভন্ড দরবেশ বাবা লালসালু” নামে খ্যাত কথিত এই গোলাম কিবরিয়া অসাধু উপায়ে অত্র কলেজে শিক্ষা বোর্ড সদস্য নিয়োগ পাওয়ার পর নিয়ম বহির্ভূতভাবে কারো মতামতের তোয়াক্কা না করে যেমন ইচ্ছা তেমন করে যাচ্ছে। যেন কলেজে তিনিই সর্বোসর্বা।তার এমন আচরণে কলেজ শিক্ষক কর্মচারী কর্মকর্তা ছাত্রছাত্রীরা বিব্রত। প্রতিনিয়ত কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি অযাচিত অবাঞ্ছিত অসাধাচরণ সহ নানান অপকর্ম করে যাচ্ছেন।তার এসব আচরণের প্রতিবাদ করলে তার আজ্ঞাবাহ দুর্নীতিবাজ অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া (পাবনার পাগলা কুদ্দুস নামে খ্যাত ) কে দিয়ে শোকজ,চাকুরিচ্যুতকরনসহ নানান হুমকি দমকি দিয়ে শিক্ষক সমাজের আত্মসম্মান হানিকর কার্যক্রম ও অপকর্ম করে যাচ্ছেন। কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতির এসব কিছুর তদারকি না থাকার কারণে তিনি বেপরোয়া। তার কাছে গভর্নিং বডির নামে মাত্র অন্যান্য কথিত সদস্য ও শিক্ষকরা জিম্মি প্রায়।ফলে কলেজের শিক্ষার সুস্থ পরিবেশে বিঘ্ন ঘটে আসছে। কলেজে ছাত্রছাত্রী ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে ।বলতে গেলে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা উপস্থিতিই নেই বললে চলে।
জানা যায়, কথিত এই গোলাম কিবরিয়া অত্র কলেজ প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত আলহাজ্ব সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম এমপির মতাদর্শ ও জিয়ার নামে কলেজের নামকরণের ঘোর বিরোধী ব্যক্তি ছিলেন।এমন ব্যক্তিকে কিভাবে কেমন করে অত্র কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য করা হলো বর্তমান কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কলেজ প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত আলহাজ্ব সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম এমপির সুযোগ্য কন্যা ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা এমপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও শিক্ষক পরিষদ এবং অনতিবিলম্বে কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য পদ থেকে তাকে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন।
কলেজ শিক্ষক পরিষদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,
এ কথিত সদস্য গোলাম কিবরিয়া ও দুর্নীতি পরায়ণ অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনিয়ম, দুর্নীতি, অপকর্ম ও অসদাচরণের প্রতিবাদ করায় ইতিপূর্বে বেশ কয়েকজন শিক্ষককে কাল্পনিক শোকজ দিয়ে , মানসিক নির্যাতন করে নিগৃহীত করা হয়েছে । গেল বছর অর্থাৎ ডিসেম্বর- ২০২৫ অত্র কলেজের প্রবীণ ও প্রতিষ্ঠাকালীন এক শিক্ষককে শারীরিক মানসিক নির্যাতন করে কোন কারণ দর্শানো ছাড়া গভর্নিং বডির সভাপতিকে প্রভাবিত করে, মিথ্যা কল্প কাহিনী সাজিয়ে, মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ষড়যন্ত্র করে সাময়িক বরখাস্ত করিয়েছেন। এ কথিত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোলাম কিবরিয়া ও তার আজ্ঞাবাহ দুর্নীতিবাজ অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া
অন্যায় ভাবে এই শিক্ষকের সরকার প্রদেয় বেতন ভাতা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।উক্ত শিক্ষককে কলেজে না আসার জন্য হুমকি দমকি দিয়ে আসছে এবং এ শিক্ষককে চাকরিতে পুনঃবহাল করার নামে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করলে উক্ত শিক্ষক বাদী হয়ে দুর্নীতিবাজ অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোলাম কিবরিয়া, কথিত সদস্য ফারুক আহমদ চৌধুরীকে আসামি করে হাটহাজারী থানায় ১৫-০৩-২০২৬ ইংতারিখে একটি অভিযোগ মামলা দায়ের করেন। বলতে গেলে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোলাম কিবরিয়ার এসব নিয়ম বহির্ভূত আচরণে কলেজ শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী জিম্মি প্রায়এবং এলাকায় বিব্রতকর অবস্থা। কলেজের শিক্ষার সুস্থ পরিবেশ রক্ষার্থে কথিত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড প্রতিনিধি “আওয়ামী ফ্যাসিস্ট” গোলাম কিবরিয়াকে জি বির সদস্য পদ থেকে অপসারণ ও প্রত্যাহার করা জরুরী বলে মনে করেনএলাকাবাসী। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,বছর কয়েক আগে
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোলাম কিবরিয়ার এক সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। তারপর থেকে তিনি টুপি দাড়ি রেখে দরবেশের রূপ ধারণ করেলেও তার অনৈতিক কার্যক্রম পরিহার করেননি।
অন্যদিকে অত্র কলেজ শিক্ষক পরিষদ ও ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজ গভর্নিং বডির শিক্ষা বোর্ড প্রতিনিধি পদ থেকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোলাম কিবরিয়াকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার ও অপসারণ করার জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।









