
নিউজগর্ডেন ডেস্ক: সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম শুরা অধিবেশনে সরকারের প্রতি ৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ-
১. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের ৬/৪ লাইনের প্রকল্প অনুমোদন ও দ্রুত বাস্তবায়ন এবং আনোয়ারা-বাঁশখালী হয়ে কক্সবাজার মহাসড়কটি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি
২. খুন, গুম, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবি
৩. সরকারি ও সায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে দূর্নীতি ও নির্লজ্জ সীমাহীন দলীয়করণ বন্ধের দাবি
আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় বিআইএ মিলনায়তনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জেলা মজলিসে শুরার ২য় সাধারণ অধিবেশনে দেশের চলমান পরিস্থিতির উদ্বেগ জানিয়ে সরকারের প্রতি এসব প্রস্তাবনা পেশ করেন।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুরা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক এর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল্লাহ, ড. হেলাল উদ্দীন মুহাম্মদ নোমান, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি, মুহাম্মদ জাকারিয়া, এডভোকেট আবু নাছের, সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহমুদুল হাছান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল হোছাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. মাওলানা আবুল আফিফ, মাওলানা কামাল উদ্দীন, মাওলানা আবুল ফয়েজ, নুরুল হক, অধ্যক্ষ ইসমাইল হক্কানী, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তফা, আরিফুর রশীদ সহ মজলিসে শুরা সদস্যগণ।
প্রধান অতিথি পরিবেশবিদ নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণ জনগণকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। দলীয় সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি ও প্রশাসনের দূর্নীতিতে জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকদের দায়িত্ব দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দলীয় অফিস বানিয়ে ফেলছে। একদিকে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করছে। অন্যদিকে, প্রতিহিংসার রাজনীতি চর্চার মাধ্যমে জনগণের ক্ষতিসাধন করছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকার এভাবে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করে জনবিচ্ছিন্ন হয়েছিল। বর্তমান সরকার পতিত স্বৈরশাসকের অধঃপতন থেকে শিক্ষা না নিয়ে বরং তাদের পথেই হাঁটছে। তাই সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এসব দলবাজি পরিহার করে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আমীর বলেন, চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে সরকার দলীয় কর্মীদের নৈরাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করবে নাকি নিজেদের কর্মীদের ভাগ্য পরিবর্তন করবে, সেটা সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তারা নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। সরকারকে দলীয়করণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।









