
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: নির্বাচনকে সামনে রেখে সুফীবাদের নামে মাঠ দখলের চেষ্টা করছে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আহমেদ মাইজভান্ডারী। সরকার পতনের পর ছাত্র-জনতার রোষানলের মুখে বেশ কিছুদিন নীরব থাকলেও এখন তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় ও অরাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে প্রকাশ্য কর্মসূচিতে হাজির হচ্ছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ধর্মীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন তিনি। এই সুযোগে সরকার বিরোধী বক্তব্য দিয়ে ফ্যাসিস্টের পক্ষে জনমত গড়ে তুলছেন।
অভিযোগ আছে, ধর্মীয় দিবসকে সামনে রেখে ধর্মীয় ব্যানারে বড় ধরনের জমায়েত করে ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের নামে রাজধানীতে মাঠ দখলের পরিকল্পনা আঁটছেন ফ্যাসিস্টের এই দোসর। একইসঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তড়িঘড়ি করে নিবন্ধন পাওয়া সুপ্রিম পার্টি নিয়েও রাজনৈতিকভাবে মাঠে নামছেন তিনি।
কয়েকটি ইসলামী দলের সঙ্গে জোট বেঁধে মাঠে নামার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তার ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দলের ব্যানারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সংগঠিত হচ্ছেন। বলা চলে, তার সুপ্রিম পার্টি এখন পলাতক ফ্যাসিস্টদের পূনর্বাসন কেন্দ্র।
খবর নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া ধর্মীয় সংগঠনের ব্যানারে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় বড় ধরনের রাজনৈতিক শোডাউনের টার্গেট নিয়েছেন সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন ভান্ডারী।
কর্মসূচিতে ধর্মীয় ব্যানারে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকা আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের জড়ো করে এদিন ঢাকায় বড় সমাগমের টার্গেট নিয়েছেন তিনি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি রাজধানীতে নির্বাচনী শোডাউন করতে যাচ্ছেন। পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষে এই কর্মসূচি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও তিনি পুলিশের অনুমতি পাননি। ফ্যাসিস্টের দোসর হলেও কর্মসূচি সফল করতে পুলিশের অনুমতির জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে তদবির করছেন।
একাধিক ব্যানারে ফ্যাসিস্টের দোসরদের মাঠে নামার বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জম হোসেন আলাল বলেন, বিভিন্ন ব্যানারে ফ্যাসিস্টরা সংগঠিত হয়ে ফেরার চেষ্টা করছে। এই চেষ্টার বড় সহায়তাকারী হচ্ছে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীতে যারা ফ্যাসিস্টদের দোসর রয়ে গেছে। তারাই নানাভাবে এসব দলকে সহায়তা করছে।
মঞ্চ ৭১ নামে বলেন, সুপ্রিম পার্টি নামে বলেন, কোন পার্টি কখন নাক জাগাবে বলা মুশকিল। তারা নানাভাবে দেশে তৎপর। শুনেছি, পলাতক এক ব্যবসায়ী দেখা করেছেন আরেক পলাতক ফ্যসিস্টদের প্রধানের সঙ্গে। টাকা পয়সাও লেনদেন হয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে আওয়ামীলীগের কোনো কোনো নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব খবর সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি। সুতরাং আমরা এসব দলের কর্মকান্ড সম্পর্কে আরও সতর্ক হবো।
জানা গেছে, ৬ সেপ্টেম্বর ঈদে মীলাদুন্নবীর দিন ধর্মীয় ব্যানারে শোডাউন করে শেষ নয়, সুপ্রিম পার্টির ব্যানারে একটা রাজনৈতিক জোট গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন সাইফুদ্দিন আহমেদ ভান্ডারী। কয়েকটি ইসলামী দল নিয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে এই জোট আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে। জোট গঠনের নেপথ্যে ছিলেন তিনি।
অভিযোগ আছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সুপ্রিম পার্টির ব্যানারে এই জোটের অধীনে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নিচ্ছেন। সুপ্রিম পার্টি ও নতুন যে জোট হয়েছে তার বানারে নিষিদ্ধ দলটির নেতাকর্মীরা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ধীরে ধীরে সক্রিয় হয়ে উঠছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ধর্মীয় হোক কিংবা রাজনৈতিক ব্যানারে হোক, পলাতক ফ্যাসিস্টের দোসর কেউ মাঠে নামার চেষ্টা করলে দেশবাসী তাদের প্রতিরোধ করবে। তাদের যে কোনো অপতৎপরতা রুখে দেওয়া হবে।
জানা গেছে, ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন আহমেদ আল হাসানী মাইজভান্ডারী। আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতায় ষোল বছর ধর্মীয় ব্যানারে বড় বড় কর্মসূচি চালিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন তিনি।
ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষনেতারাই ছিল তার অধিকাংশ অনুষ্ঠানের অতিথি। জামায়াত নেতাদের ফাঁসি, জামায়াত নিষিদ্ধ করার পেছনে চাচা নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সঙ্গে বড় ভূমিকা রাখেন সাইফুদ্দিন আহমেদ মাইজভান্ডারীও। বিএনপি, জামাত ও হেফাজত বিরোধী ইসলামী দলগুলোর নেতা সেজে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আরও আস্থাভাজন হন।
২৪ সালের নির্বাচনে আগে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে আমন্ত্রিত হলে রাজনীতিতে কদর বাড়ে তার। একাধিক সময় তিনি শেখ হাসিনাকে ইসলামিক ক্যালিওগ্রাফী উপহার দেন। শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় এসময় তিনি সুপ্রিম পার্টি নামে রাজনৈতিক দল গড়ে তুলেন। আওমালী লীগের দোসর হিসেবেই তড়িঘড়ি করে নির্বাচন কমিশনও (২৩ সালের ১২ আগষ্ট) সুপ্রিম পার্টিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেন।
অথচ নিবন্ধন পেতে রাজনৈতিক দলের যেসব যোগ্যতা থাকা দরকার তার কোনোটাই ছিলো না সুপ্রিম পার্টির। তার রাজনৈতিক কার্যালয় হলো ঢাকা, চট্টগ্রামের পৈত্রিক খানকা শরীফে। সারা দেশে তাদের তেমন কোনো অফিস ও কমিটি নেই বললে চলে। সরাসরি আওয়ামী সরকারের হস্তক্ষেপে নিবন্ধন পাওয়ার ঘটনায় এ সময় ইসির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে রাজনৈতিক দলগুলো।
নিবন্ধন পেয়ে ওইদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন দলটির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী। বিএসপির ব্যানারে রাজধানীতে মোটর শোভাযাত্রা করে এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে দলটি।
সমাবেশে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। আমাদের কে চিনলো আর কে চিনলো না, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না।
২০১৯ এর ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) গঠন হয়। নির্বাচন কমিশনের আরপিওতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধানে কোথাও লেখা নাই একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পেতে হলে দেশের ১৮ কোটি মানুষ সেই দলকে চিনতে হবে।
দলের নিবন্ধন পাওয়া আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু করেন দলটির চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন মাইজভান্ডারী। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার বিনাভোটের নির্বাচনকে বৈধতা দিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে গনভবনে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। গড়ে তুলেন বেশ কয়েকটি দল নিয়ে লিবারেল ইসলামিক নামে একটি নির্বাচনী জোট।
২৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জোটের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সৈয়দ সাইফুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জোটের নেতারা আওয়ামী লীগের সুরে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর পক্ষ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিবৃতিদাতা ব্যক্তি এবং নোবেল জয়ীদের বিবৃতির নিন্দা জানিয়ে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বিদেশিদের তৎপরতার সমালোচনা করেন।
এসময় জোটটির নেতারা বলেছেন ড. ইউনুসের পক্ষে হিলারি ক্লিনটনের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করছি। তাঁর বিবৃতি বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার বিভাগ, মজলুম জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল।
জোট গঠন করার পর নির্বাচন বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি এই সুপ্রিম পার্টি ও জোটের ব্যানারে মাঠ পর্যায়ে একের পর এক কর্মসূচি চালিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করেন।
২৯ অক্টোবর এক বিবৃতিতে সরকার বিরোধী আন্দোলনকে সহিংস কর্মসূচি আখ্যা দিয়ে এই সহিংসতা পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ও লিবারেল ইসলামিক জোটের চেয়ারম্যান সাইফুদ্দীন আহমদ বলেছেন, রাজধানীতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সহিংসতা, পুলিশ হাসপাতাল ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, পুলিশ সদস্যসহ নিরীহ নিরপরাধ মানুষ আহত-নিহতের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন।
এসময় কোনো রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত না থাকলেও ছোট ভাই সহিদুদ্দিন আহমেদ মাইজভান্ডারী ও তার ছোটবোনের পৈত্রিক সহায় সম্পত্তি জবরদখল পূর্বক বিএনপি ট্যাগ দিয়ে তাদের আইন শৃঙ্খলাবাহিনী দিয়ে চরম হয়রানি করেন সাইফুদ্দিন মাইজভান্ডারী। এসময় তারা সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করলেও সাইফুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার। বরং সাইফূদ্দিনের কথায় পুলিশ প্রশাসন তাদের ঘরবাড়ি ছাড়া করেন। এখনও টাকার জোরে তাদের সম্পদ জবরদখল করে রেখেছেন। তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ন্যয় বিচার চাইলেও সাইফুদ্দিন আদালতকে প্রভাবিত করে তাদের ন্যয় বিচার থেকে বঞ্চিত করেছেন বলেও অভিযোগ আছে।
আওয়ামী লীগের আরেক দোসর মিছবাহুর রহমানের ইসলামী ঐক্যজোটসহ কয়েকটি দল নিয়ে লিবারেল ইসলামিক জোট গঠন করে তিনি। ওই ব্যানারে ২০২৪ সালে নির্বাচনে অংশ নেন। যদিও নির্বাচনে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেশ কিছুদিন তিনি ছিলেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। কিন্তু আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের এই দোসর আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাদের নির্দেশেই নাকি তিনি আবারও ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যানারে কর্মসূচি দিয়ে মাঠ দখলের পরিকল্পনা করছেন।
সুপ্রিম পার্টির মত হাসিনার দোসরদের কোনো প্রকার কর্মসূচির অনুমতি না দিয়ে বরং তাদের নেতাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, সুপ্রিম পার্টি, বিএনএম এই দলগুলো আওয়ামী লীগের তৈরি দল। তাদের নিবন্ধন অবশ্যই বাতিল করতে হবে।
এসব দলের হর্তাকর্তা তাদের গ্রেফতার করতে হবে। জাপা, চৌদ্দদল, সুপ্রিম পার্টিসহ আওয়ামীলীগের দোসরদলগুলো এদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। তাদের নিবন্ধন থাকবে না, আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। এ বিষয়ে আমরা ফ্যসিবাদ বিরোধী সবদল একমত। আমরা তাদের বিষয়ে কোনো প্রকার আপস করবো না।
“আমরা পুলিশ প্রশাসনরে প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সুপ্রিম পার্টিসহ ফ্যাসিস্টের দোসরদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কোনো কর্মসূচির অনুমতি না দেয়, বলেন রাশেদ খান।
ফ্যাসিস্টের দোসর সুপ্রিম পার্টিকে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক তুহিন মাহমুদ বলেন, পলাতক হাসিনার দোসররা নানাভাবে মাঠে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। এজন্য নিষিদ্ধ দলটির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি বিএনপি ও ইন্টারিমের গোপন আঁতাত উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
জাপা, সুপ্রিম পার্টিসহ ফ্যসিস্টদের দোসরদের বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীও যেনো তাদের কোনো প্রকার স্পেস না দেয়।
অবৈধ নির্বাচনে অংশ নেওয়াসহ রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে সুপ্রিম পার্টিসহ যারা অবৈধভাবে হাসিনাকে ঠিকিয়ে রাখতে চেষ্টা করেছে তারা এদেশে রাজনীতি করতে পারবে না।
এ বিষয়ে ডিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নাসরিন সুলতানা তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে এ বিষয়ে উর্ধতনের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা বলতে ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম পার্টির দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আগামী ৬ তারিখে আমরা ঢাকা শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করতে যাচ্ছি।
লোক সমাগমের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নেতা-কর্মীদের কোন বিষয় না। এটা নবীপ্রেমিকদের বিষয়। এ আয়োজন এ বছর নতুন নয়। গত ৪০ বছর ধরে এমন আয়োজন চলছে।









