
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ২০০ অসহায় ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছে আইএসডিই বাংলাদেশ। সোমবার (৬ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচিত সুবিধাভোগীদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে পরিচালিত এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে আইএসডিই বাংলাদেশ। আয়োজকদের ভাষ্য, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
খাদ্য সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাফর আলম, প্রতিনিধি সৈয়দ উল্লাহ, প্রতিনিধি নুরুল আমিন, আইএসডিই বাংলাদেশের মিল অফিসার মোস্তাক আহমেদ, প্রকল্প কর্মকর্তা তাজ উদ্দীন এবং প্রকল্প কর্মকর্তা সুপম বড়ুয়াসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, বর্তমান সময়ে নিম্নআয়ের অনেক পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে। এ ধরনের মানবিক সহায়তা শুধু তাদের খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়তা করে না, বরং সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে থাকার একটি শক্তিশালী বার্তাও দেয়।
ইউপি সদস্য জাফর আলম বলেন, “প্রান্তিক মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেসব পরিবার আয়-রোজগারের সীমাবদ্ধতার কারণে কষ্টে রয়েছে, তাদের জন্য এই খাদ্য সহায়তা অনেক উপকারে আসবে। আমরা আইএসডিই বাংলাদেশের এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।”
আইএসডিই বাংলাদেশের মিল অফিসার মোস্তাক আহমেদ বলেন, “প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় কাজ করছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।”
প্রকল্প কর্মকর্তা তাজ উদ্দীন বলেন, “হোস্ট কমিউনিটি এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী উভয়ের মানবিক প্রয়োজন বিবেচনায় আইএসডিই বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”
খাদ্য সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সুবিধাভোগীরা। তারা বলেন, “পরিবারের খরচ চালানো এখন অনেক কঠিন। এই সহায়তা আমাদের জন্য সময়োপযোগী হয়েছে।”
তারা আরও বলেন “কয়েক দিনের খাদ্যের চিন্তা অন্তত কমেছে। যারা আমাদের কথা ভেবে এই সহায়তা দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
আইএসডিই বাংলাদেশ জানায়, এর আগে হোস্ট কমিউনিটির বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে প্রায় ৪৫ হাজার সুবিধাভোগীর মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, মানবিক সংকটে থাকা মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।









