এনসিটি নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে: চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক কল্যাণ

নিউজগর্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি, সিসিটি ও জিসিবি নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী।

এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা না করে কর্মক্ষেত্র এনসিটি, সিসিটি ও জিসিবি বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার যে প্রক্রিয়া সরকার এগিয়ে নিচ্ছে, তা সরকার ও বন্দর প্রশাসনের জন্য বুমেরাং হতে পারে। গত সরকারের আমলে মাননীয় নৌ উপদেষ্টা বন্দর অডিটোরিয়ামে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জানিয়েছিলেন, নৌ-মন্ত্রণালয় বন্দর শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে। অথচ বর্তমান সরকার বা বন্দর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তারা বলেন, এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার একক সিদ্ধান্তে শ্রম অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, সরকারবিরোধী আন্দোলনে বন্দর একটানা ২৯ দিন অচল রেখে তৎকালীন বিএনপি সরকারের পতন ঘটেছিল। তাই আলোচনার দরজা খোলা আছে। আমরা শ্রম অসন্তোষ চাই না। দেশের অর্থনীতির প্রাণ চট্টগ্রাম বন্দর এক মিনিটের জন্যও বন্ধ হোক, তা আমরা চাই না। তবে শ্রমিকস্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি শ্রমিক-কর্মচারীরা মেনে নেবে না।

নেতৃদ্বয় বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের মতামত গ্রহণ করা। সকল পেশার শ্রমিকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী সকল সরকার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফসল—এ বিষয়টি মনে রেখে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

এস এম লুৎফর রহমান ও আবু তালেব চৌধুরী এনসিটি নিয়ে চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান।
নসিটি নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে: চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক কল্যাণ

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি, সিসিটি ও জিসিবি নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী।

এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা না করে কর্মক্ষেত্র এনসিটি, সিসিটি ও জিসিবি বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার যে প্রক্রিয়া সরকার এগিয়ে নিচ্ছে, তা সরকার ও বন্দর প্রশাসনের জন্য বুমেরাং হতে পারে। গত সরকারের আমলে মাননীয় নৌ উপদেষ্টা বন্দর অডিটোরিয়ামে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জানিয়েছিলেন, নৌ-মন্ত্রণালয় বন্দর শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে। অথচ বর্তমান সরকার বা বন্দর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তারা বলেন, এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার একক সিদ্ধান্তে শ্রম অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, সরকারবিরোধী আন্দোলনে বন্দর একটানা ২৯ দিন অচল রেখে তৎকালীন বিএনপি সরকারের পতন ঘটেছিল। তাই আলোচনার দরজা খোলা আছে। আমরা শ্রম অসন্তোষ চাই না। দেশের অর্থনীতির প্রাণ চট্টগ্রাম বন্দর এক মিনিটের জন্যও বন্ধ হোক, তা আমরা চাই না। তবে শ্রমিকস্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি শ্রমিক-কর্মচারীরা মেনে নেবে না।

নেতৃদ্বয় বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের মতামত গ্রহণ করা। সকল পেশার শ্রমিকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী সকল সরকার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফসল—এ বিষয়টি মনে রেখে শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

এস এম লুৎফর রহমান ও আবু তালেব চৌধুরী এনসিটি নিয়ে চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

মন্তব্য করুন