
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আবাসিক এলাকার জাপানি গেটসংলগ্ন স্থানে চুরির চেষ্টার অভিযোগে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। উল্লেখিত ব্যক্তি বিমানবন্দরসংলগ্ন নিজাম মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বারা আটকের পর অদ্য সকাল সাড়ে ১১ টায় বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জব্দ করা মালামালসহ তাকে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং থানা কর্তৃক চুরির মামলায়
পতেঙ্গা মডেল থানার মামলা নং ৩(৭)২০২৬ মুলে আসামি মো আজিজুর রহমান (৩১) কে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় বিমানবন্দরের আর্মি, বিজিবি ও নেভি হ্যাঙ্গারসংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
রাতে টহল দেওয়ার সময় আনসার সদস্য সাদাম হোসেন ও এপিসি জাহাঙ্গীর হোসেন দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করেন। তাঁরা চোরদের ধাওয়া করলে দুজনই ঘন জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের তার ও চুরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর আনসার সদস্য সাদাম হোসেন মুঠোফোনে আনসার ক্যাম্প ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শাখাকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বাদশা ফয়সাল নিরাপত্তা শাখার সাতজন সদস্য, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্সের (টাস্কফোর্স) পাঁচজন সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ১৫ জন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
একইসময়ে ই/এম শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী পলাশ পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সহযোগিতায় এরোনেসের ৫ থেকে ১০ জন কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাকর্মীদের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।
এদিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বাদশা ফয়সাল মুঠোফোনে বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নূর হোসেনকে ঘটনাটি অবহিত করেন। পরে পরিচালক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
অতপর অনুসন্ধান দলটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে অন্ধকারে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দলটি এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। পরে তাকে উদ্ধার করা মালামালসহ পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।









