অবৈধ ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রণে আপোষহীন: ডিসি ট্রাফিক

মোঃ সাইফুর রহমান সাইফুল: বন্দর নগরী চট্টগ্রামের রাস্তা গুলোতে ব্যাটারি চালিত রিকশার চাপ সম্প্রতি ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছে। প্রধান সড়কগুলোতে একের পর এক ঘটেছে দূর্ঘটনা।
এ সব দূর্ঘটনা হতে কোনভাবেই রেহায় পাচ্ছেন না পথচারী সহ রাস্তায় চলাচলরত বৈধ পরিবহণ গুলো।
এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে মেয়র সহ পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সড়কে সাধারণ পথচারিদের চলাচলে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে অটোরিক্সা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হয়।
এরইধারাবাহিকতায় ডিসি ট্রাফিক উত্তর এবং দক্ষিণ শক্ত অবস্থান নেন সড়কে সব ধরনের অবৈধ যানবাহণ চলাচলের বিরুদ্ধে।
ডিসি ট্রাফিক উত্তর-দক্ষিণের কড়া বার্তা পৌঁছে যায় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট এ দায়িত্বরত টি.আই. প্রশাসনের মাধ্যমে।
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে দায়িত্বরত সার্জেন্ট ও ট্রাফিকদের দেখা যাচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মব্যস্ত সময় পার করতে। সড়কে চলাচলরত সব ধরনের অবৈধ পরিবহন চলাচলে আইনের পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগে কর্মব্যস্ত সার্জেন্টদের জোড়ালো তৎপরতার কথা এখন সাধারণ পথচারিদের মুখে শোনা যাচ্ছে হরহামেশা।
সার্জেন্ট ও ট্রাফিক যেন মূল সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ও অবৈধ পরিবহণের এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কে দায়িত্বরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সার্জেন্ট জানান, অবৈধ পরিবহণের বিষয়ে কোন ছাড় নয়। এটাই ডিসির নির্দেশনা।
আমরা শুধুমাত্র নির্দেশেনার মাধ্যমে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করছি। সড়ক যেন কখনোই পথচারিদের জানমালের হুমকি ও আতঙ্কের কারণ না হয়।

ডিসি ট্রাফিক উত্তর ও দক্ষিণের মাধ্যমে সড়কে প্রয়োজনীয় আইন প্রয়োগে অধিকাংশ সড়ক হতে অবৈধ যান-বাহন হঠাৎ যেন উধাও হয়ে গেছে। পথচারীরা এখন অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।
সাধারণ মানুষের ধারণা প্রশাসনের আইন প্রয়োগে এভাবেই সংস্কার হবে সড়কের। উচ্চ পর্যায়ের এসব নিষ্ঠাবান কর্মকর্তারা যদি এভাবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন, তবে নিশ্চয়ই একদিন সড়কগুলো হতে দূরীভূত হবে দূর্ঘটনা নামক মৃত্যু ফাঁদ।

মন্তব্য করুন