
স্থানীয় জনগোষ্ঠী বিষেশত নারী, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু সহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বিচারিক সেবা নিশ্চিত করতে সরকার চালু করেছে গ্রাম আদালত। এ লক্ষ্যে ২০০৬ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে গ্রাম আদালত আইন।
২০১৩ ও ২ ০২৪ সালে এ আইন সংশোধন করে যুগোপযোগী করা হয়েছে। গ্রাম আদালত আইন বাস্তবায়নের জন্য ২০১৬ পাশ করা হয়েছে গ্রাম আদালত বিধিমালা। গ্রাম আদালত সক্রিয়করা হলে প্রান্তিক জন গোষ্ঠীর নিশ্চিত হবে বিচারিক সেবা একই সাথে উচ্চ আদালতে কমবে মামলার জট।
আজ ২৫ মার্চ, ২০২৫ বেলা ২ টায় নগরীর এশিয়ান এস আর হোটেলের ব্যাঙ্কুইট হলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপপরিচালক মো: নোমান হোসেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্প।
এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম জেলার ১৯১ টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ৪দিন ব্যাপি ৮ ব্যাচ গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ গত ১০ মার্চ শুরু হয়ে আজ সমাপ্ত হয়েছে।
প্রকল্পের চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার সাজেদুল আনোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্টগ্রাম জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা ই্পসার প্রধান নির্বাহী মো: আরিফুর রহমান। এতে সেশন পরিচালনা করেন ডিস্ট্রিক্ট রিসোর্স টীমের সদস্য ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ রুপন কান্তি দাশ।









