
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: তথ্য, সম্পদ, অর্থ এবং প্রযুক্তির অভাবে জলবায়ু সংকট মোকাবিলা ও পুনরুদ্ধারে নারীদের বর্ধিত চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরেছেন ‘অর্গানাইজেশন ফর ওমেন্স ডেভলাপমেন্ট ইন বাংলাদেশ-ওডেব’-এর প্রধান নির্বাহী কবি ও অধ্যাপক শ্যামলী মজুমদার।
আজ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা গ্রামের ওডেব কার্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জলবায়ু পরিবর্তনে সামাজিক উদ্যোগ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ বিষয়ক নাগরিক সভায় তিনি একটি ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।
‘ওমেন্স ওয়ার্ল্ড ডে অব প্রেয়ার জার্মান কমিটি’র সহযোগিতায় বাস্তবায়িত প্রকল্প ‘নারীর অধিকার, ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়নে সামাজিক উদ্যোগ-কয়ার’-এর উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া নাগরিক সংলাপে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারী, পুরুষ, এডোলেসেন্ট গ্রুপ লিডার এবং সিবিও (কমিউনিটি বেজড অর্গানাইজেশন) প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক শ্যামলী মজুমদার তার ধারণাপত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের অসম প্রভাবের শিকার হিসেবে নারীদের বিশেষ চ্যালেঞ্জগুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।” তিনি তথ্য ও সচেতনতার অভাব, সম্পদে সীমিত প্রবেশাধিকার, আর্থিক দুর্বলতা এবং প্রযুক্তির অভাবকে নারীর জন্য প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেন। জলবায়ু পরিবর্তনের নীতি নির্ধারণ এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি জোর দেন।
সংলাপে অংশগ্রহণ করেন সাংবাদিক মুহাম্মদ ফয়েজুল আবেদীন, পিএমটিও সজল দে, পপি আকতার শ্রাবস্তী জুই, বন্দনা বড়ুয়া, মিনু চৌধুরী, রুপম দাশ, শিববু সেন গুপ্ত, সোমা, মায়মুনা আকতার, বৃষ্ঠি, মীরা, রবীন সুশীল, ঝিনুক, অজয়, সুমা, পিন্টু, চুমকি, শিল্পী ও নেপালী দাশ প্রমুখ।
তারা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সামাজিক উদ্যোগের গুরুত্ব এবং বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন। নাগরিক সংলাপ শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
এরপর অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার সহকারে একটি র্যালিতে অংশ নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংহতি প্রকাশ করেন। এই উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর এবং একটি সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।









