জাতীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চের মুক্ত আলোচনা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: জাতীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চ চট্টগ্রাম আয়োজিত মুক্ত আলোচনা সভা নগরীর চেরাগি পাহাড় লুসাই ভবনস্থ লুসাই হলে সংগঠনের সভাপতি সাংস্কৃতিক সংগঠন কামরুল হুদার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গীতিকার নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় অনুষ্ঠিত হয়।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধিনে হিন্দু ধর্মের কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের সুরকার ও গীতিকার দিলীপ ভারতী, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আঞ্চলিক গানের রানী গীতা আচার্য্য, সিনিয়র সংগীত শিল্পী ফরিদুল ইসলাম, নাট্যকার ও অভিনেতা রতন চক্রবর্তী, বাংলাদেশ টেলিভিশন মিউজিক পরিচালক সুকুমার দে, ব্যাংকার ও সাংস্কৃতিক কর্মী মতিউর রহমান ফরহাদী, বাংলাদেশ টেলিভিশন শিল্পী পাপড়ি বৈরাগী, সংগীত শিল্পী চন্দনা চক্রবর্তী, মঞ্চ ও টিভি শিল্পী মৌ চৌধুরী, মঞ্চ ও টিভি শিল্পী জুয়েল দ্বীপ, সংগীত শিল্পী রুপনা দাশ, বেতার ও টিভি শিল্পী জিলাল উদ্দিন, বেতার ও টিভি শিল্পী মাজাহারুল ইসলাম, কৌতুক অভিনেতা নীল ওসমান, সংগীত শিল্পী শামসুল আলম সিহাব, সংস্কৃতি কর্মী এম. ডি সাগর,  সংস্কৃতি কর্মী ছরওয়ার কামাল প্রমুখ।

জাতীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চ চট্টগ্রামের শিল্পীদের অধিকার নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে শিল্পীদের সাথে বৈষম্যমূলক আচারণ বন্ধ না করলে চট্টগ্রামের সংস্কৃতি কর্মীরা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে। বিগত ১৭ বছর যারা বেতার ও টিভিতে সুবিধা নিয়েছিল তারা আবার ঘুরে ফিরে নিয়ন্ত্রণ করছে বলে বক্তারা অভিযোগ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে কবি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবীদের অবদান রয়েছে। জুলাই বিপ্লবেও সংস্কৃতিক কর্মীদের অবদান রয়েছে। দেশের সংকটকালিন সময়ে সংস্কৃতিক কর্মীরা গানে গানে প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করে থাকেন। সাংস্কৃতিক কর্মীদের শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য করার জন্যও জোর দাবী জানান।

মন্তব্য করুন