ইসলামী শ্রমিক সংঘের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। এ বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। আমরা চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র বরদাশত করব না। বন্দরের শ্রমিকদের নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।

তিনি আজ চট্টগ্রাম বন্দরে ইসলামী শ্রমিক সংঘের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শ্রমিক সংঘের সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন -এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের নগর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন শ্রমিক সংঘের সভাপতি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, মোঃ আমানুল্লাহ,আমিনুল ইসলাম রুমেল, মোহাম্মদ নুরুন্নবী প্রমুখ।

এস এম লুৎফর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে দেশী-বিদেশি চক্রান্ত ষড়যন্ত্র অতীতের ন্যায় বর্তমানেও চলছে। যারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে চায় তারা চট্টগ্রাম বন্ধর নিয়ে নানামুখী চক্রান্তে ব্যস্ত। এদেশের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের তিল তিল পরিশ্রমে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন একদল মানুষ বিদেশি চক্রের কাছে নিজেদের বিক্রি করে দিয়ে এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। তারা শ্রমজীবী মানুষের রক্তের সাথে বেঈমানি করছে। প্রতারণা করছে দেশ মাতৃকার সাথে। আমরা এসব ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই নতুন বাংলাদেশে আর কোন মীরজাফরদের সহ্য করা হবে না। তাদের প্রতিটি ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার জন্য শ্রমজীবী মানুষেরা প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বন্দর পরিণত করার লক্ষ্যে একটি যুগোপযোগী মাস্টার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বন্দরের সকল স্তরে অবিলম্বে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। এনসিটি কোন অবস্থাতেই ব্যক্তি মালিকানায় দেওয়া যাবে না। বন্দরের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে এনসিটি ও সিসিটির জন্য অবিলম্বে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করতে হবে। শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অবিলম্বে সিবিএ নির্বাচন দিতে হবে। বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনার পরিচালনায় বিশেষ একটি সরকারি বাহিনীকে দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকরা এটি মানবে না। বন্দরের কোন স্থাপনা বিদেশি কোন কোম্পানির কাছে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।

মন্তব্য করুন