
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, দেশের ক্লান্তিলগ্নে খালেদা জিয়ার বিকল্প নেই। বাংলাদেশের স্বৈরশাসন থেকে গণতন্ত্রের উত্তরণের লড়াই-সংগ্রামে যাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য, তিনি বেগম খালেদা জিয়া। জনগণের অধিকার রক্ষার তিনি এক অনমনীয় নেতৃত্বের প্রতীক। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রাখা তিনি এক অদম্য নেত্রী, যিনি গণমানুষের প্রত্যাশার বাতিঘর। স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটিয়ে তিনি এদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। দেশ ও জনগণের স্বার্থে তিনি কখনোও কোন অপশক্তির সাথে আপস করেননি। দলের সীমা ছাড়িয়ে তিনি আজ জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বৃদ্ধ বয়সেও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ কর্তৃক নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছেন। মিথ্যা মামলায় জেল কেটেছেন, ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছেন। চিকিৎসকরা বার বার বলা সত্ত্বেও সুচিকিৎসা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট খুনী হাসিনা পালিয়ে গেছে। মানুষ আওয়ামীলীগকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিপরীতে তারা বিএনপি তথা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের উপরে আস্থা রেখেছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আজ রোববার (৩০ নভেম্বর), বিকাল ৩টায়, মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতির শুধুমাত্র এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায় নন। তিনি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, জনগণের মালিকানা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক অবিনাশী প্রতীক। এদেশের গণতন্ত্র এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়ে বারবার তাঁর জীবন বিপন্নের আশঙ্কা ছিল। কিন্তু গণতন্ত্র রক্ষায় তিনি সব সময় ছিলেন আপোষহীন। তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা খাত ও নারীর ক্ষমতায়নে অন্যন্য অবদান তাঁকে ইতিহাসে অবিস্মরণীয় করে রাখবে। বেগম খালেদা জিয়া সংগ্রাম, সাহস ও নেতৃত্বগুণ জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতিটি নেতাকর্মীর অনুপ্রেরণার উৎস।
উক্ত দোয়া মাহফিলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া’র রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া ও বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন নাসিমন ভবনস্থ জামে মসজিদের খতীব হাফেজ মাওলানা এহছানুল হক।
এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মোহাম্মদ আলী সাকি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ূন কবির, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, শাহিন পাটোয়ারী, হেলাল হোসেন হেলাল, গুলজার হোসেন, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, ওসমান গনি, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, আহাদ আলী সায়েম, জমির উদ্দিন আহমেদ মানিক, তানভীর মল্লিক, সাবেক সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মুহাম্মদ সাগির, জসিম উদ্দিন সাগর, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, আসাদুজ্জামান রুবেল, সাবেক সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, কোরবান আলী, মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল হক চৌধুরী, আরিফ হোসেন, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, মোহাম্মদ ইদ্রিস, গোলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মোহাম্মদ ইউসুফ, সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানি, কলিম উল্লাহ, সাইদুল হক শিকদার, আব্দুল করিম, থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক শফিউল আজম, বজল আহমেদ, কুতুব উদ্দিন, মোশাররফ আমিন, সাবেক সদস্য সচিব মঞ্জুরুর আলম মঞ্জু , শওকত খান রাজু, শেখ রাসেল, মোহাম্মদ রাশেদ, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. ইয়াছিন, নুর খান, সাইফুল আলম রুবেল, মোর্শেদ কামাল, নুরুদ্দিন শরিফ দিদার, ইউনুছ মুন্না, ইকবাল হোসেন মিলন, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহবায়ক আবু বক্কর বাবু, মোহাম্মদ আক্তার, এস এম আলী, মেহেদী হাসান রানা, মোহাম্মদ সাইফুল, বাদশা আলমগীর, সাইফুল আলম, রাসেল খানসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।









