
চট্টগ্রাম: আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে এতিমদের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ব গ্রহণ করা—এমন মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেও এতিম ছিলেন এবং ইসলাম এতিমদের প্রতি বিশেষ মমত্ববোধ প্রদর্শনের শিক্ষা দিয়েছে। তাই সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
বুধবার (১১ মার্চ) নগরীর পূর্ব নাসিরাবাদ তুলাতলীস্থ বায়তুর রিদওয়ান এতিমখানায় আয়োজিত বার্ষিক ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে এতিম শিশুদের কল্যাণে সমাজের সকল স্তরের মানুষের এগিয়ে আসার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার সেলিম উল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী। তিনি বলেন, একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে এতিম ও অসহায় শিশুদের লালন-পালন এবং শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের সক্ষম ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে এতিম শিশুরা সুশিক্ষিত ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম ওমরগনি এমইএস কলেজের অধ্যাপক জাকারিয়া এবং মাদ্রাসা-ই আবু হুরায়রা (রা.) এর প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ ওবাইদুল হক। তারা বলেন, ইসলামে এতিমদের প্রতি দয়া, সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীল আচরণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতিমদের শিক্ষা, খাদ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ শহীদুল্লাহ তালুকদার, ইমরান সিকদার, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, আলম শরিয়ত, মঈনুল আলম নোয়াব, আব্দুল বাতেন, হাসান আনোয়ার, নুরুল ইসলাম এবং মুহাম্মদ সেলিম।
ইফতার মাহফিলে এতিম শিশু, আলেম-ওলামা, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এতিমদের কল্যাণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।









