
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মাবলম্বীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নমুখী চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, “হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম—আমরা সবাই মিলে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ নগরী গড়ে তুলতে চাই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানই একটি মানবিক ও টেকসই শহরের ভিত্তি।”
তিনি এসব কথা বলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা-২০২৬ উপলক্ষে চসিক আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে “জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক”—এই শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়। পরে উপস্থিত সবাই পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপসচিব। এছাড়া বক্তব্য রাখেন শিক্ষক দীপন কান্তি চৌধুরী, শিক্ষক রোমা বডুয়া, দেবজিৎ বডুয়া, উর্মিলা বডুয়া, কাজল বডুয়া, রিপন বডুয়া, পরিতোষ বডুয়া, পীযুষ বডুয়া, সুজন বডুয়াসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বুদ্ধ পূর্ণিমা মানবতা, অহিংসা ও বিশ্বশান্তির শিক্ষা দেয়। এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের অনুরোধে বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে অবস্থিত গোলচত্বরটি পদ্মফুলের নকশায় সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে। একইসঙ্গে মোহরা এলাকায় একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চসিক মেয়র বলেন, সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের সমন্বয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
সম্প্রতি ভারী বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন এ বিষয়ে সচেতনভাবে কাজ করছে এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাগরিক দুর্ভোগের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে মেয়র সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “সবাই সুস্থ, সুন্দর ও ভালো থাকবেন—এটাই আমার কামনা। আমরা সবাই মিলে একটি শান্তি ও সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়ে তুলব।”









