
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের তরুণদের মেধা ও মননের এক ঐতিহাসিক বিজয় সূচিত হয়েছে। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ০২ জুন থেকে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ০৫ জুন ২০২৬। আন্তর্জাতিক বিজনেস কেস কম্পিটিশনের মূল পর্বে বিশ্বের বাঘা বাঘা বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় রানার-আপ (থার্ড প্লেস) হওয়ার অভূতপূর্ব গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর ক্ষুরধার দল ‘সিক্স সেভেন’। এটি পুরো বাংলাদেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় এবং ঐতিহাসিক আনন্দের মুহূর্ত।
এর আগে, দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ‘এইচএসবিসি–ব্র্যাক বিজনেস কেস কম্পিটিশন ২০২৬’-এ বাংলাদেশের ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১,৪০০টি দলের সাথে দীর্ঘ সাত মাস তুমুল লড়াই করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল এই দলটি। জাতীয় পর্যায়ের সেই গৌরবময় সাফল্যের পর এইচএসবিসি ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক মূল পর্বে অংশ নিতে তারা হংকং ইউনিভার্সিটিতে পাড়ি জমায়। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো, বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, নিউজিল্যান্ড, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ম্যাকাও, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও তাইওয়ানের মতো শক্তিশালী দেশগুলো অংশ নিয়েছি।।
চূড়ান্ত ফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর সিডনি ইউনিভার্সিটি চ্যাম্পিয়ন এবং থাইল্যান্ড ফার্স্ট রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তবে নিজস্ব কৌশলগত গভীরতা ও অনন্য মেধার স্বাক্ষর রেখে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে সেকেন্ড রানার-আপ হওয়ার ঐতিহাসিক ট্রফি ছিনিয়ে আনে বিইউপি-এর ‘সিক্স সেভেন’।
বিশ্বমঞ্চে দেশের লাল-সবুজের পতাকা তুলে ধরা এই দলের চার প্রতিভাবান সদস্য হলেন ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফাইয়াদ হোসেন, রিদওয়ান সাকিব আনজুম, নাভিদ আবরার এবং সাখাওয়াত সেলিম সাকিব। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজন হলো চট্টগ্রামের সাখাওয়াত সেলিম সাকিব। এই তরুণ তুর্কিরা আজ পুরো বিশ্বকে আমাদের যুবসমাজের সক্ষমতা ও দূরদর্শিতার এক অকাট্য প্রমাণ দিয়েছেন। তাদের এই আন্তর্জাতিক অর্জন দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। বিজয়ী দলের এই অবিস্মরণীয় সাফল্যে বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।









