
নিউজগর্ডেন ডেস্ক: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমীর জননেতা আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেছেন, প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যান্য উপজেলাসমূহেও কমবেশি বন্যায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় ১০/১৫ দিন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক বাড়িঘর ও ক্ষেতখামার সহ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের পাশে থাকার লক্ষ্যে জেলা ও স্থানীয় জামায়াতের দায়িত্বশীলগণ সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে খোঁজখবর নেয়া এবং বিত্তবান ব্যক্তিগণ অনুদান দিয়ে বানবাসী মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর জন্য আন্তরিক মোবারকবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা গুলোকে বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে পূনর্বাসনে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
আজ সোমবার নগরীর বিআইএ মিলনায়তনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মপরিষদ বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক এর সঞ্চালনায় এতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল্লাহ, ড. হেলাল উদ্দীন মুহাম্মদ নোমান, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি, মুহাম্মদ জাকারিয়া, এডভোকেট আবু নাছের, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল হোসাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা কামাল উদ্দীন, মাওলানা আবুল ফয়েজ, অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল হক্কানী, মাওলানা আরেফে জামী, মাওলানা আরিফুর রশিদ, আ ক ম ফরিদুল আলম প্রমুখ।
ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক পরিবারের মাঝে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন এবং বর্তমানেও তা অব্যাহত রয়েছে। উক্ত বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পূনর্বাসন করার লক্ষ্যে জেলা নায়েবে আমীর ড. হেলাল উদ্দীন মুহাম্মদ নোমানকে আহবায়ক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট পূনর্বাসন কমিটি গঠন করা হয়।









