
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি, এ. কে. এম নাজিম উদ্দীন চৌধুরীঃ চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ির বিভিন্ন জনতা ব্যাংকে সরকারের অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কারনে সেভিংস ও কারেন্ট একাউন্টে টাকা জমা থেকে বিরত রয়েছে বলে অভিযোগ জানা গেছে। বিভিন্ন গ্রাহক অভিযোগে জানান, গরীব অসহায় লোকজন বাড়ী ভিটা, গরু-ছাগল ও ফসলাদি উৎপাদিত পন্য বিক্রয় করে ভবিষ্যতের আপদ বিপদের জন্য জনতা ব্যাংকে লাখ লাখ টাকা জমা রাখে। কিন্তু সরকারের অবৈধ ও অতিরিক্ত কর আদায়ের কারনে বর্তমানে জনতা ব্যাংকে বহু একাউন্ট টাকা জমা থেকে বিরত রয়েছে। কয়েকজন গ্রাহকের সাথে আলাপ করে জানা যায় যাদের সেভিংস একাউন্টে লাখের উর্দ্ধে টাকা জমা রাখলে উক্ত একাউন্টের জমা ও লভ্যাংশ টাকা থেকে এস.এম.এস চার্জ ১১৫ টাকা, এ.এম.এফ চার্জ বাবদ ২৮৭.৫০ টাকা, এক্সেস ডিউটি চার্জ ১৫০ টাকা ও সোর্স ট্যাক্স ১০৩৩.৮৯ টাকা সর্ব মোট প্রতি একাউন্টের গ্রাহক থেকে ১,৫৮৬.৩৯ টাকা কর্তন করে ফেলে। উপরোক্ত বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনতা ব্যাংকের কয়েকজন ব্যবস্থাপকের সাথে উপরোক্ত বিষয়ে আলাপ করলে তারা জানান আমরা সরকারী কর্মচারী ও সাংবাদিকদেরকে কিছু বলতে পারবনা। অপর এক প্রশ্নের জবাবে জানান উপরোক্ত বিষয়ে সরকারের নির্দেশে আমরা উল্লেখিত গ্রাহকের একাউন্ট থেকে লাখের উর্দ্ধে জমা টাকা থেকে উক্ত টাক্স আদায় করা হচ্ছে। ফলে আমাদের জনতা ব্যাংকে পূর্বের তুলনায় বর্তমানে কেহ সেভিংস ও কারেন্ট একাউন্ট খুলে লাখের উর্দ্ধে টাকা জমা রাখতেছেনা। যার ফলে জনতা ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বেকার জমাকৃত গ্রাহকের কাছ থেকে উল্লেখিত ট্যাক্সগুলো কম পরিমানে আদায় করা হলে সরকার ও জনতা ব্যাংক উপকৃত হবে।









