ড্রোন শো চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে 

 চট্টগ্রামের ১৫টি স্থানে জুলাই শহীদদের স্মৃতিফলক স্থাপন করা হবে। যেখানে শহীদ হয়েছে, সেখানেই স্মৃতিফলক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহানগরীতে যারা মারা গেছেন সেটা করবে সিটি করপোরেশন। আর মহানগরীর বাইরে উপজেলা পর্যায়ে করবে এলজিইডি।

মঙ্গলবার দুপুরে সার্কিট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এসব কথা জানিয়েছেন। জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালার ধারাবাহিক কর্মসূচি সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এদিকে জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধী কর্মকাণ্ড রুখতে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে চট্টগ্রাম নগরী থেকে সাতকানিয়া পর্যন্ত যৌথ টহলের কর্মসূচি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। আগামী সোমবার এর সম্ভাব্য সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, আগামী সোমবার একটা জয়েন্ট পেট্রোল টিম নিয়ে আমরা মাঠে নামার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের অনুমতিসাপেক্ষে আমরা এটা করব। এই টিমে র্যাব, বিজিবি, আর্মি, পুলিশ, আনসার, এয়ারফোর্স, জেলা প্রশাসন থাকবে। আমরা সবাই একসঙ্গে মুভ করব।

তিনি বলেন, সার্কিট হাউস থেকে রওনা দিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ মাইল মুভ করে আমরা সাতকানিয়া পর্যন্ত যাব। আমরা সারা বাংলাদেশকে জানাতে চাই যে, জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে কোনো কার্যক্রম কিংবা নাশকতার চেষ্টা কেউ করলে তারা যেন সতর্ক হয়ে যায়। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।

জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ড্রোন শো জেলা স্টেডিয়ামে হবে। সেখানে ১১০০ ড্রোন উড়বে। আমরা আশা করছি, সেখানে এক লাখের মতো জনসমাগম হবে। সিএমপি থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। আমরা কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা করছি না।

মন্তব্য করুন