
নিউজগর্ডেন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জনগণ একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। এই আন্দোলনের পথে বহু নেতাকর্মী গুম, খুন, নির্যাতন, মামলা, হামলা ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।
আজ (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টায় বাকলিয়ার এক্সেস রোডে বাকলিয়া, চকবাজার ও কোতোয়ালী থানা যুবদলের উদ্যোগে নিষিদ্ধ সংগঠন কর্তৃক ‘অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতি’র বিরুদ্ধে যুবদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ মিছিল উত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন দেশবিরোধী অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা দেশের রাজনীতি, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত ইস্যু নিয়েও নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশপ্রেমিক যুবসমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছে। আমরা এই দেশের সন্তান, এই দেশেই আমাদের জন্ম ও মৃত্যু। প্রকৃত দেশপ্রেমিকরা কখনও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় না। যারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং অপপ্রচার চালায়, তাদের কোনো ধরনের প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
গণতান্ত্রিক সরকারের মাত্র কয়েক মাস অতিবাহিত হতে না হতেই একটি মহল আবারও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নের পথে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, তাতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দেশবিরোধী চক্র নানা অপপ্রচার শুরু করেছে।
বক্তারা দেশপ্রেমিক যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে সকল ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। যুবদল সবসময় জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
বক্তব্য শেষে বক্তরা যুবদলের নেতাকর্মীদের দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বাকলিয়া থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন লেদুর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, নগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন এবং নগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর যুবদলের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, নগর যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক জিয়াউল হক মিন্টু, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সাহেদ, সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সহ-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ কামাল আলম, নগর যুবদলের সদস্য মো. কলিম উদ্দিন, গোলাম ইয়াজধানী শাবাব, কফিল উদ্দীন, মোহাম্মদ ফারুক, নগর যুবদল নেতা আমিনউল্লাহ, চকবাজার থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. সেলিম, নগর যুবদল নেতা জাবেদুল হক জাবেদ, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. হাসান, বাকলিয়া থানা যুবদল নেতা মোহাম্মদ জাকির হোসেন, চকবাজার থানার যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহেল, চান্দগাঁও থানা যুবদল নেতা মো. মুরাদ।
নেতাকর্মীদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন চকবাজার থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদ্দামুল হক সাদ্দাম, শফিউল বসর সাজু, নগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মো রায়হান, হোছাইন রাসেদ, বিএনপি নেতা মনসুর সওদাগর, নগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি সালেহ নূর নাসিম, চকবাজার থানা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি রাকিবুল হাসান রাকিব, মো মুমিন, মো: খোকন, কফিল উদ্দিন, মোহাম্মদ রাসেল, আবুল হোসেন, মোহাম্মদ আলমগীর, নুরুল কবির বাপ্পি, সাব্বির আহমদ, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ ওসমান গনি, মোহাম্মদ মিজান, মো. মামুন, ওমর ফারুক রানা, রাসেল করিম, মো. খলিল, ফয়সাল সাকিব মিম, মোহাম্মদ ফরিদ, মোহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ শরীফ, মোহাম্মদ ফরহাদ, মোস্তফা আলম কিশোর, রহিম মিনু, সালাউদ্দিন বাপ্পি, ছাত্রদল নেতা রাজু আহমেদ, নুরুজ্জামান বাবলু, জাবেদ, রশিদ, মিন্টু প্রমুখ।









