
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: কর্ণফুলী থানার অন্তর্গত দক্ষিণ শাহমিরপুর লিচুতলা এলাকায় কেপিজেড সংলগ্ন বড়গাং বৌদ্ধ বিহারে প্রতি বছরের ন্যায় আজ ১৭ অক্টোবর ২০২৫ ইং (শুক্রবার) “২৯তম শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব ও মহতী পুণ্যানুষ্ঠান – ২০২৫” বঘাইছড়ি মারিশ্যা বালুখালী বালুকারাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত কল্যাণ মিত্র মহাথেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী ধর্মদেশনা বিশ^মৈত্রী বৌদ্ধ বিহার ও বড়গাং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত বিজয়ানন্দ মহাস্থবির।
ধর্মালোচক ছিলেন কাচালং শিশু সদনের সাধারণ সম্পাদক, মারিশ্যা শাক্যমনি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত শান্ত জ্যোতি মহাথের, রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারের ভদন্ত সত্য প্রেম মহাথের, নন্দনকানন বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও চবি অধ্যাপক ভদন্ত ড. জিনবোধি মহাথের, মারিশ্যা জ্ঞানাংকুর বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত আর্য্যবোধি ভিক্ষু, আনন্দ বৌধি ভিক্ষু, ধর্মকীর্তি মহাস্থবির, মৈত্রীবরণ ভিক্ষু, ধর্মদশী ভিক্ষু, ইঞ্জি: পিন্টু চাকমা, প্রণয় চাকমা, রুবেল বড়–য়া, প্রমুখ ধর্মালোচকবৃন্দসহ কঠিন চীবরদান উৎযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাস বর্ষাব্রত শেষে এসব কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন করা হয়। বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী বছরে একবার কঠিন চীবর দান করা যায়।
বৌদ্ধ ধর্মালম্ভীগণ পূণ্যের আশায় প্রতি বছর অধীর আগ্রহী অপেক্ষায় থাকেন। সাধারণত ভিক্ষুদের ত্রি-চীবর হলো চার খন্ডের পরিধেয় বস্ত্র। প্রতি বছর বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিনমাস বর্ষাবাস শেষে কঠিন চীবর দানোৎসব আয়োজন করা হয়। এতে বৌদ্ধ ধর্মের রীতিনীতি অনুয়ায়ী ভিক্ষুদের বস্ত্র তৈরী করার জন্য প্রথমে তুলার বীজ বোনা হয়, পরে তুলা সংগ্রহ করা হয়, তা থেকে সুতা কাটা হয়, সেই সুতা রং করে ধর্মীয় আচার- অনুষ্ঠান মেনে ২৪ ঘন্টায় কাপড় তৈরী করে উৎসবের মধ্যেদিয়ে ভিক্ষু সংঘের মাঝে দান করা হয়।
মহান দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসবে হাজারো উপস্থিত পূণ্যার্থীদের মাঝে মহামানব গৌতম বুদ্ধের অমৃতময় স্বধর্ম দেশনা প্রদান করেন।









