
নিউজগর্ডেন ডেস্ক: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির।
আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সেমিনার হলে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
অধ্যাপক নছরুল কদির বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর দূরদর্শী রাজনৈতিক অবস্থান, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ এবং ‘সেভেন সিস্টার্স’ নিয়ে বক্তব্যের কারণে ভারতসহ বিদেশি শক্তির বিরাগভাজন হতে হয়েছিল। এসব কারণেই তিনি শেষ পর্যন্ত নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংগঠনের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী।
সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে নছরুল কদির বলেন, নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও বিএনপি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।
সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে জাতীয়তাবাদী দল গণমানুষের দলে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজও তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে খোদা তোতন, অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, এমদাদুল হক চৌধুরী, ডা. হাসান-উল বান্না, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় জাসাস নেতা দিলশাদ আহমেদ, মোহাম্মদ মেহেরাব হোসেন খান, আজম খান, অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন, সোহাগ কুমার বিশ্বাস, মুহাম্মদ আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. কামরুজ্জামান, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. আবদুল হক ও জসিম উদ্দিন।









