
নিউজগর্ডেন ডেস্ক: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি ৪ জুলাই সকালে চট্টগ্রাম সফরে আসলে বিমানবন্দরে অবতরণের পর ব্যবসায়ী সমাজ ও চিটগ্যাং চেম্বার পরিচালকমন্ডলীর পক্ষে সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান এবং পরবর্তীতে বিমানবন্দরে অবস্থিত একটি লাউঞ্জে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে মন্ত্রীর এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে প্রথমবারের মত এমন একটি ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব বাজেট প্রদানের জন্য অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি-কে অভিনন্দন জানান। তিনি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিনিয়ন্ত্রণকরণ, ব্যবসার খরচ হ্রাস ও সহজীকরণের নীতিমালা প্রণয়নের জন্য সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সভাপতি হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বাণিজ্যিক রাজধানীর গুরুত্বকে বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। চট্টগ্রামে বিনিয়োগ হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিনির্মাণ হবে উল্লেখ করে বৃহত্তর চট্টগ্রামের শিল্পায়ন বৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে কর্ডলাইন, এক্সপ্রেসওয়ে, বে-টার্মিনাল, আনোয়ারার নিকটবর্তী অঞ্চল ও মাতারবাড়ীতে ফ্রি ট্রেড জোন নির্মাণের সিদ্ধান্ত, আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্প, চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন প্রকল্প, কক্সবাজারের রামুতে ফুটবল টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প, আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি এ সকল প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গুরুত্ব সহকারে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের পক্ষে আবেদনসমূহ শোনেন এবং দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশসহ সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে টেকসই করে গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশকে বিনিয়োগের আদর্শ হাবে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্যবৃন্দ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান ও এনামুল হক এনাম, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ বেলায়েত হোসেন, কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সেলিম রহমান, এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এম. ছালাম, ইস্পাহানী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা সালমান ইস্পাহানী, ইস্টার্ন ব্যাংক’র চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশন’র সভাপতি এস. এম. সাইফুল আলম, বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন’র সাবেক সভাপতি ও আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ’র চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন, বিএসআরএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আলীহুসেইন আকবর আলী, আবুল খায়ের গ্রুপের ডিএমডি আবু সাঈদ চৌধুরী, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স এন্ড রিসাইক্লার্স এসোসিয়েশন’র লিয়াকত আলী চৌধুরী, বিএসএম গ্রুপের আবুল বাশার চৌধুরী, খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন’র সভাপতি আবদুস সালাম, বারভিডার সাবেক মহাসচিব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, টি.কে. গ্রুপের পরিচালক হাসনাত মোঃ আবু ওবাইদা, ইলেক্ট্রোমার্টের পরিচালক মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।









