
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: চট্টগ্রামে জেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থপনা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা আজ ১৮ মে, ২০২৫ বেলা ৩ টায় সাকিট হাউজ, এর সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতি ফরিদা খানম তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্থানীয় বিরোধ স্থানীয় ভাবে নিস্পত্তি করার জন্য কাজ করছে ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালত। গ্রাম আদালত সক্রিয়হলে চাপ কমবে উচ্চ আদালতের উপর। চলমান পরিস্থিতিতে ১৯১টি ইউনিয়নের মধ্যে অনেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নেই, প্রশাসকগণ দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত সক্রিয়করতে উপজেলা নির্বাহি অফিসারগন উদ্যোগ নিবেন। কোন অবস্থাতেই গ্রাম আদালতের সেবা বন্ধ রাখা যাবে না। বিগত জানুয়ারী-মার্চ, ২০২৫ মাসের মামলা গ্রহণ ও নিস্পত্তির উপজেলা ভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক। মামলা গ্রহণ ও নিস্পত্তির তথ্য উপস্থাপনের প্রেক্ষিতে দেখা যায় মামলা নিস্পত্তির হার কম । এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ গ্রাম আদালতের মামলা গ্রহণ ও নিস্পত্তির ক্ষেত্রে চ্যালেন্জ সমূহ উপস্থাপন করেন।
৫ আগষ্টের পর দেশের বেশির ভাগ ইউনিয়নে চেয়ারচেয়ারম্যান গণ না থাকায় গ্রাম আদালতের বিচারিক কাজ পরিচালনায় সমস্যার কথা উঠে আসে আলোচকদের বক্তব্যে।
এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা সমূহ নিশ্চিত করতে আমরা প্রশাসক দিয়েছি। গ্রাম আদালতের সেবা নিশ্চত করার জন্য প্রশাসকগণ প্রয়োজনে প্যানেল চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব দিয়ে গ্রাম আদালত সক্রিয় করতে হবে।
ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক সেবা বন্ধ রাখা যাবে না। আগামী ১ থেকে দেড় বছর এর মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে গ্রাম আদালত কী এসময় বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের জন্য কাজ বন্ধ রাখা যাবেনা। সে সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছে তারা এর্ চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে গ্রাম আদালত পরিচালনা করতে হবে।
উপপরিচালক স্থানীয় সরকার জনাব নোমান হোসেন বলেন চট্টগ্রামের বেশিরভাগ ইউনিয়ন এ চেয়ারম্যান যেমন নেই তেমনি রাজনৈতিক সহিংসতা সহ নানা জটিল পরিস্থিতির কারণে ইউনিয়ন পরিষদ সমূহে গ্রাম আদালত পরিচালনার মতো পরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ও মামলা গ্রহণ ও নিস্পত্তি চলমান আছে।
মীরসরাই উপজেলায় গত মাসে মামলা নিস্পত্তি ও গ্রহণের হার বেড়েছে। এ উপজেলার অভিজ্ঞতাকে আমরা কাজে লাগিয়ে সকল উপজেলায় মামলা গ্রহণ ও নিস্পত্তির উদ্যোগ নিতে পারব। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার,মো: নোমান হোসেন, অতিরিক্ত জেজেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক, ১৫ টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি, গ্রাম আদালত প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার সহ জেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ।









