
নিউজগার্ডেন ডেস্ক: আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, মির্জাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা ও দেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর সেই অবদান বাংলাদেশের মানুষ যুগের পর যুগ স্মরণ করবে।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন সেনা ও জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বন্দিদশা থেকে জেনারেল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তী সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত হয় এবং দেশের মানুষ বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ পায়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আবু সৈয়দ হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সদীপ কুমার শীল, সিনিয়র শিক্ষিকা হামিদা আকতার চৌধুরী, শিরু আক্তার, শিক্ষক প্রতিনিধি শাপলা বড়ুয়া, সহকারী শিক্ষিকা সাদিকা সাবরিন, মুহাম্মদ নুরুল হুদা, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, উৎসব সেন গুপ্ত, তন্ময় লোধ, জবা শ্রী তালুকদার, মুহাম্মদ আজিম উদ্দিন, ইয়াসমিন আকতার ও অনিক চক্রবর্তী।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোছাম্মৎ দিলরুবা আক্তার ও রোজাইবা মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছাম্মৎ দিলরুবা আক্তার, দ্বিতীয় হয় রোজাইবা মাহমুদ এবং তৃতীয় হয় বৈশাখী সিংহ।
দেশাত্মবোধক গানে প্রথম স্থান অর্জন করে রিসতিকা নন্দী, দ্বিতীয় জয়ন্তিকা বিশ্বাস এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে বৃন্দা নাথ।
আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।









